এদিকে এক সূত্রে জানা গেছে সিলেটের খেলোয়াড়রা তাদের পাওনার কেউ কেউ শতকরা ৫০ ভাগ, কেউ ৬০ ভাগ টাকা পেয়েছেন। ড্রাফটের বাইরে থাকা স্থানীয় খেলোয়াড় নাসুম আহমেদ খুব বেশি টাকা পাননি বলেও ওই সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।
বিপিএলের পাওনা প্রসঙ্গে পাকিস্তনের এই ক্রিকেটার বলেন, ‘এই মুহূর্তে বলতে পারি, কিছু কিছু ক্রিকেটার আমার কাছে বলেছে তারা টাকা পায়নি। তবে বিসিবি তো দায়িত্ব নিয়েছে। বিপিএল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য। তারা টুর্নামেন্ট খুব ভালোভাবে আয়োজন করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে পুরো সময়টা উপভোগ করেছি। টাকা-পয়সাজনিত সমস্যা মিটিয়ে ফেললে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্ত থেকে খেলোয়াড়রা আসবে এবং বিপিএল উপভোগ করবে।’
গত দুই আসরে বিপিএলের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না। তাই চলতি বিপিএল শুরুর আগেই বিসিবি প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে ব্যাংক গ্যারান্টিবাবদ ৩ কোটি টাকা করে নিয়ে রেখেছিল। যাতে কোনও খেলোয়াড় পরবর্তীতে তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ হয়নি বলে অভিযোগ-অনুযোগ করতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত যদি অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে বিসিবি গ্যারান্টিবাবদ জমাকৃত টাকা থেকে খেলোয়াড়দের পাওনা শোধ করে দিতে পারে।
এবারের বিপিএলে তিন কিস্তিতে খেলোয়াড়দের পাওনা পরিশোধের নিয়ম করে বিসিবি। খেলা শুরুর আগে শতকরা ৫০ ভাগ, খেলাচলাকালীন ২৫ ভাগ এবং বিপিএল শেষের এক মাসের মধ্যে সমস্ত টাকা পরিশোধ। সেই হিসেবে খেলোয়াড়দের শতকরা ৭৫ ভাগ টাকা পরিশোধ হয়ে যাওয়ার কথা। হয়েছেও। ইতিমধ্যে বিপিএল থেকে বিদায় নেয়া চিটাগং ভাইকিংস খেলোয়াড়দের শতভাগ পাওনা মিটিয়ে দিয়েছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস দেশি খেলোয়াড়দের শতকরা ৭৫ ভাগ পাওনা পরিশোধ করেছে। আর বিদেশিদের বুঝিয়ে দিয়েছে পুরো পাওনা। বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিলেট সুপারস্টারসের বিপক্ষে জয়ের পর খেলোয়াড়দের পাওনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, ‘পাওনা নিয়ে দলে কোনও ঝামেলা নেই। আজকের (বৃহস্পতিবার) ম্যাচের আগের দিনই চেক দিয়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি। আমাদের দেশি খেলোয়াড়দের শতকরা ৭৫ ভাগ পরিশোধ হয়েছে। বিদেশিদের দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ টাকাই।’
/আরআই/এমআর/