১০৩ রানে শেষ তামিমের দল

তামিম ইকবাল আউট হয়েছেন মাত্র ২ রানেদুই তামিমের ওপেনিং জুটি দেখার অপেক্ষায় ছিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম। কিন্তু এই জুটির স্থায়িত্ব এত অল্প সময়ের হবে, সেটা প্রত্যাশা ছিল না কারও। মাত্র ২ রানেই যে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তামিম ইকবাল! তানজিদ হাসান তামিম অবশ্য লড়েছেন, খেলেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ২৭ রানের ইনিংস। আর এতেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ব্যাটিংয়ে তামিম একাদশের অবস্থা কতটা শোচনীয়। মাহমুদউল্লাহ একাদশের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তামিমরা।

আজ (মঙ্গলবার) বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপে ২৩.১ ওভারে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে তামিম একাদশ। তাদের এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পথে বল হাতে বিধ্বংসী রূপে হাজির হয়েছিলেন ‍দুই পেসার রুবেল হোসেন ও সুমন খান। রুবেল ১৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট, আর সুমন সমান উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৩১ রান।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন সিনিয়র তামিম। রুবেলের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ৮ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। ফ্লাট উইকেটে এদিন দুর্দান্ত বোলিং করেছেন রুবেল।

যুব বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের ওপেনার তামিম দারুণ ভালো শুরু করেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। লেগ স্টাম্পের বাইরে রুবেলের ডেলিভারি দ্বিধায় ভুগে মিডউইকেটে মুমিনুল হককে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ৩ চারে খেলেন ২৭ রানের ইনিংস। তামিম একাদশের এটাই সর্বোচ্চ ইনিংস।

মিডল অর্ডারে মোহাম্মদ মিঠুন (০), যুব দলের সাবেক ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন (১), মোসাদ্দেক হোসেন (৫) কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। শেষ দিকে সাইফউদ্দিনের ১২ ও মেহেদী হাসানের ১৯ রানে তামিম একাদশের স্কোর ১০০ পেরোয়। তামিম একাদশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান এসেছে এনামুল হকের ব্যাট থেকে। ৩৩ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ইনিংসটি সাজান তিনি।

মাহমুদউল্লাহ একাদশের দুই পেসার রুবেল-সুমন ‍ছাড়াও আলো ছড়িয়েছেন অন্য বোলাররা। মেহেদী হাসান মিরাজ ২ রানে ২টি ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ১৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

তামিম একাদশ: ২৩.১ ওভারে ১০৩ (তানজিদ তামিম ২৭, এনামুল ২৫, মেহেদী হাসান ১৯, সাইফউদ্দিন ১২, মোসাদ্দেক ৫, তামিম ২; রুবেল ৩/১৬, সুমন ৩/৩১, মিরাজ ২/২, আমিনুল ২/১৭)।