সাইফউদ্দিন ছিলেন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। ডানহাতি পেসার নিয়েছেন ৫ উইকেট। তার সঙ্গে মোস্তাফিজের শিকার ৩ উইকেট। এই দুই পেসারের গতির সামনে নাজমুল একাদশের মুশফিকুর রহিম পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি।
আজ (বুধবার) শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নাজমুল একাদশ। আগের ম্যাচগুলোর ধারাবাহিকতায় আজও নতুন বলের সামনে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা মুখ থুবড়ে পড়ে। ২৫ রানে নাজমুল একাদশের তিন ব্যাটসম্যান- পারভেজ ইমন (১০), সৌম্য সরকার (৭) ও নাজমুল (৫) ফিরে যান। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক ও আফিফের ৯০ রানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় নাজমুলের দল। এই জুটির মাঝখানে বৃষ্টির কারণে ১৫৫ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল।
বৃষ্টি থামার পর ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৪১ ওভারে। দারুণ খেলতে থাকা মুশফিক সুইপ শটে শরিফুল ইসলামের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরে যান। আউট হওয়ার আগে ৭৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান খেলেছেন ৫১ রানের ইনিংস।
মুশফিকের বিদায়ের পর স্কুপ করতে গিয়ে ফিরে যান তরুণ আফিফও। এই অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে আসে ৬১ বলে ৪০ রান। লেট অর্ডারে তৌহিদ হৃদয় (১৩), ইরফান শুক্কুর (১১), নাসুম আহমেদের (১২*) ছোট ইনিংসগুলোতে ১৬৫ রানে শেষ হয় নাজমুল একাদশের ইনিংস।
তামিম একাদশের সবচেয়ে সফল বোলার সাইফউদ্দিন। ৮.৩ ওভারে ২৬ রান খরচায় তার শিকার ৫ উইকেট। এছাড়া ৩৬ রান খরচায় মোস্তাফিজ ৩টি ও অফস্পিনার মেহেদী হাসান ৩৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট।
তিন দলের টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আছে নাজমুল একাদশ। তিন ম্যাচে ২ জয়কে সঙ্গী করে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা সমান ৪ পয়েন্ট আছে মাহমুদউল্লাহ একাদশের নামের পাশেও। তবে চার ম্যাচে সমান দুটি করে জয়-পরাজয় দেখা মাহমুদউল্লাহর দল পিছিয়ে আছে রানরেটে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নাজমুল একাদশ: (সর্বোচ্চ ৪১ ওভার) ৩৯.৩ ওভারে ১৬৫ ( মুশফিক ৫১, আফিফ ৪০, তৌহিদ ১৩, নাসুম ১২*, ইরফান ১১, পারভেজ ১০; সাইফউদ্দিন ৫/২৬, মোস্তাফিজ ৩/৩৬, মেহেদী ২/৩৪)।