প্রিমিয়ার লিগে আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম দেখে মনে হয়েছিল সেখানকার রাজত্বটা বোধহয় গাম্বিয়ানদেরই। অন্তত বিজয়ী দলের স্কোর লাইন দেখে তেমনই আন্দাজ করা যায়। শনিবার শেখ রাসেলকে ৪-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে পঞ্চম জয় তুলে নিয়েছে শেখ জামাল। যেখানে জয়ী দলের চারটি গোলই এসেছে গাম্বিয়ানদের কাছ থেকে। এর ফলে শেখ জামাল ধানমিন্ড ক্লাবের জয়রথ ছুটছেই।
তাতে তারা ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। বিপরীতে সাইফুল বারী টিটুর দল এক ম্যাচ বেশি খেলে আগের ১৩ পয়েন্টে চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বড় ব্যবধানে জেতা শেখ জামাল ১৩ মিনিটেই গোল পেতে পারতো। কিন্তু ওতাবেকের ফ্রি-কিক সরাসরি গিয়ে প্রতিহত হয়েছে ক্রস বারে লেগে। ঠিক ৩১ মিনিটে নুরুল আবছারের আচমকা বুলেট গতির ভলি বার কাঁপালে আবারও গোল পাওয়া হয়নি শফিকুল ইসলাম মানিকের দলের।
এর ৭ মিনিট পরই গোলের আনন্দে ভাসে শেখ জামাল। বক্সের বাইরে থেকে গাম্বিয়ার সুলায়মান সিল্লাহর ডান পায়ের শট গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানার হাত ফসকে জড়ায় জালে। ইনজুরি সময়ে সতীর্থের থ্রু থেকে পা ওমর জোবে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দুই গোলে এগিয়ে থাকলেও পরে গোলের ক্ষুধা কমেনি শেখ জামালের। ৫৯ মিনিটে শেখ রাসেলকে তারা আরও কোনঠাসা করে ফেলে। বাঁ প্রান্ত থেকে সোলেমান কিংয়ের শট তাজিকিস্তানের ডিফেন্ডার সিওভুস আসরোরভ ফেরানোর পর ফিরতি বলে কোনাকুনি শটে স্কোর ৩-০ করেন জোবে।
৬৯ মিনিটে তিন গোলে পিছিয়ে থেকেও একটি গোল শোধ দেয় শেখ রাসেল। দুইশবেকভের কর্নারে ওবিমোনেকের হেড দূরের পোস্টে লাগার পর জিয়াউর রহমান ফেরালেও বল গোললাইন পেরিয়ে যায়।
৭৪ মিনিটে শেখ রাসেলের ঘুরে দাঁড়ানোর পথটা আরও কঠিন করে দেন সলোমন কিং। পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোর নিয়ে যান ৪-১-এ।
তার পরে পেনাল্টি পায় শেখ রাসেলও। ৮২ মিনিটে আব্দুল্লাহকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় তারা। স্পট কিক থেকে দুইশবেকভ লক্ষ্যভেদ করে ব্যবধান করেন ৪-২।