করোনা-বিধির ভয়ে আগেভাগে বাংলাদেশ ছাড়ছে আইরিশরা!

বাংলাদেশ সফরে এসে করোনার আঘাত থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি আয়ারল্যান্ড উলভস তথা আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল। এবার সেই করোনা সংক্রান্ত জটিলতাতেই এক ম্যাচ বাকি রেখে দেশে ফিরে যাচ্ছে সফরকারী আইরিশরা।

সফরে তারা একটি আন অফিসিয়াল টেস্ট ও চারটি আন অফিসিয়াল ওয়ানডে খেলেছে  ইমার্জিং দলের সঙ্গে। শেষ ওয়ানডেটি অবশ্য আজকেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি খেলার কথা থাকলেও সেখান থেকে একটিই খেলবে আইরিশরা। ফলে একমাত্র টি-টোয়েন্টিটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ মার্চ। 

ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই বোর্ডই এমনটি করতে সম্মত হয়েছে। সূচি অনুযায়ী টি-টোয়েন্টি দুটি হওয়ার কথা ছিল ১৭ ও ১৮ মার্চ। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের তিন দিন আগেই তারা ফিরে যাচ্ছে। 

মূলত নিজ দেশের কোয়ারেন্টিন বিধির বাধ্যবাধকতায় এমনটি করতে তারা বাধ্য হচ্ছে। দেশে ফিরতে হলে ট্রানজিট হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়েই যেতে হয়। আর এটাই ঝামেলার মূল কারণ। আয়ারল্যান্ডের করোনা-বিধি অনুযায়ী আরব আমিরাত হচ্ছে ক্যাটাগরি-২ লাল তালিকাভুক্ত দেশ। এখন সেখানে ট্রানজিট হয়ে ফিরলে কঠোর বিধি অনুসারে আয়ারল্যান্ডে দুই সপ্তাহের হোটেল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এ কথা ভেবেই অন্য দেশ হয়ে আয়ারল্যান্ড ফিরতে চাইছে তারা। 

ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের হাই পারফরম্যান্সের পরিচালক রিচার্ড হোল্ডসওর্থ বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি আমরা একটি টি-টোয়েন্টি ছাড় দিচ্ছি। মূলত আইরিশ কর্তৃপক্ষ নিয়ম করেছে, যারা ক্যাটাগরি দুই লাল তালিকাভুক্ত দেশে ট্রানজিট অথবা বিরতি নিয়ে ফিরলেও তাদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা অন্য কোনও দেশ হয়ে আয়ারল্যান্ড ফিরবো। যা লাল তালিকাভুক্ত নয়।’

মূলত নতুন করে কোয়ারেন্টিনের জটিলতাতে যেন না পড়তে হয়, সেই ভাবনাই ভাবিয়ে তুলেছে আয়ারল্যান্ডকে। রিচার্ডও বলেছেন সে কথা, ‘আমরা আগেও বলেছি, মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা সব সময়ই প্রথমে আসবে। তাই ১৪ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টি এড়ানো জরুরি। কারণ এই ধরনের বলয়ে ছেলেরা চার সপ্তাহ ধরে এরই মধ্যে যাপন করেছে। তাই ছেলেদের যতদ্রুত দেশে ফেরানো যায় সেই লক্ষ্যেই একটি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।’