আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের সঙ্গে দাপট দেখিয়েই সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ দল। ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি বাতিল হলেও বাকি চার ম্যাচ অনায়াসেই জিতেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। তবে আগের তিনটি ম্যাচের চেয়ে পঞ্চম ওয়ানডেতে এসে কিছুটা চোখ রাঙাতে পেরেছিল সফরকারীরা। যদিও লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত পারেনি। মাহমুদুল হাসান জয়ের সেঞ্চুরিতে ৫ রানে ম্যাচ জিতে ৪-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।
রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ ম্যাচটি জমিয়ে তুলেছিল আইরিশরাই। সফরকারীদের জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১১ রান। কিন্তু রেজাউর রহমান রাজার করা ওভার থেকে ৫ রানের বেশি নিতে পারেনি আইরিশরা। ৫ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে মাঠে ছাড়েন সাইফ, জয়, তৌহিদ হৃদয়রা।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে জয়ই কেবল বড় ইনিংস খেলতে পেরেছিলেন। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের ১৩৫ বলে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় করা ১২৩ রানের সুবাদে ৪৯.৪ ওভারে সব কটি উইকেটে হারিয়ে ২৬০ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে লড়াই করলেও জয়ের বন্দরে পৌঁছানো হয়নি আইরিশদের। স্টিফেন ডোহেনির ৮১ রানের পরও ২৫৫ রানে থামে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল না আয়ারল্যান্ডের। দলীয় ৭ রানেই ওপেনার জেরেমি লাউলরকে হারায় তারা। যদিও শুরুর চাপ কাটিয়ে তোলেন স্টিফেন ডোহেনি ও মার্ক অ্যাডায়ার। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়ে তোলেন এই দুই ব্যাটসম্যান। ৪৫ রান করা অ্যাডায়ারের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। এরপর শুরু হয় আইরিশদের নিয়মিত উইকেট পতন। ব্যতিক্রম কেবল ডোহেনি। ৯৯ বলে ৯টি চার ও একটি ছক্কায় ৮১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
বাংলাদেশের বোলারদের হয়ে সাইফ ৩টি এবং শহিদুল ও তানভির ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।
এরআগে শুরুতে ব্যাটিং করতে নেমেই চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। জয়ের ব্যাটিংয়ে সেই চাপ দ্রুত কাটিয়ে উঠে তারা। ১২৩ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলা জয় জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। এছাড়া আনিসুল ইসলাম ইমন ৪১ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৩৩ রান করেন।
আইরিশ বোলারদের মধ্যে অ্যাডায়ার ৩টি এবং প্রিটোরিয়াস ও টেক্টর ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।