এইচপি নিয়ে সাকিবের প্রশ্ন তোলা বিস্ময়কর: দুর্জয়

গত ৪/৫ বছরে এইচপি থেকে কোনও ক্রিকেটার উঠে আসেনি বলে আলোচিত ফেসবুক লাইভে মন্তব্য করেছিলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের এমন মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়।

রবিবার (২১ মার্চ) বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের বাসভবনে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় দুর্জয় বলেন, ‘এ মন্তব্য আমার জন্য অপ্রত্যাশিত, আমার মনে হয় অপ্রত্যাশিত আপনাদের জন্যও। কারণ আপনারা সবাই জানেন এইচপি আসলে ৪-৫ বছর আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায়। আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ খেলোয়াড়েরা এইচপি হয়ে জাতীয় দলে কিন্তু বেশ কয়েকজন খেলেছে এবং পারফর্ম করেছে। সেটা কিন্তু আসলে একেবারেই খোলা একটা চিত্র।’

সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরেন দুর্জয়। ২০১৭-১৮-তে সাদমান ইসলাম, এনামুল হক বিজয়, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির আলি রাব্বি, মেহেদি হাসান মিরাজসহ ১৪ জন, ২০১৮-১৯ এ সাঈফ হাসান, আফিফ হোসেন, নাঈম শেখ, সাঈফউদ্দিনসহ ১১ জন, ২০১৯-২০ এ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, হাসান মাহমুদসহ ৮ জন এবং ২০২০-২১ এ শরিফুল ইসলামসহ ৪ জন জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছে। এ তথ্যগুলো সামনে এনে দুর্জয় বলেছেন, ‘এতগুলো ক্রিকেটার যেখানে এইচপি খেলে এসেছে, সেখানে এইচপির কার্যকারিতা নিয়ে কথা বলেছে। আমার বোধগম্য হচ্ছে না। এইচপির অনেক প্লেয়ার এখনই জাতীয় দলে আছে। এই তো সেদিন এইচপি আয়ারল্যান্ডের যুবাদের সঙ্গে খুব ভাল খেললো।’

শনিবার রাতে ক্রিকফ্রেঞ্জির ফেসবুক লাইভে এইচপির সমালোচনা করে সাকিব বলেছিলেন, ‘শেষ ৪-৫ বছরে এইচপি থেকে কয়টা ক্রিকেটার তৈরি হয়েছে তা আমার জানা নেই। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডে অনেকেই আছেন যারা ক্রিকেট খেলেছেন এর আগে, যারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। তবে আমার মনে হয় সুজন ভাই ছাড়া এখানে অন্য কারও সম্পৃক্ততা নেই। যারা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে তাদের নিয়েই আমরা অনেক বেশি স্বপ্ন দেখা শুরু করেছি।’

সাকিব আরও বলেছিলেন, ‘এর আগের দলগুলোতেও বেশ ভালো কিছু খেলোয়াড় ছিল। তারা যেমন এইচপি-একাডেমির দলগুলোতে থাকবে, ওখান থেকে ভালো করে আসবে। তাদের তৈরি করার যে জায়গাটা- এইচপি বা একাডেমি এই জায়গাগুলোতে কী কাজটা করেছে গত ৪-৫ বছরে? যদি চেষ্টা করতো তাহলে তো খেলোয়াড় থাকতো।’