প্রথমে পজিটিভ পরে নেগেটিভ, এরপরও আশরাফুলের ‘দুর্ভাগ্য’

জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ড নির্বিঘ্নে কেটে গেলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে। কয়েক দফা পরীক্ষা করানোর পর নিশ্চিত হতে হচ্ছে ক্রিকেটাররা করোনা নেগেটিভ নাকি পজিটিভ। যার ফলে মাঠে নামা নিয়ে অনিয়শ্চতার মধ্যে থাকতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের।

বরিশাল বিভাগের হয়ে খেলা মোহাম্মদ আশরাফুল যেমন। প্রথম দফায় পজিটিভ এসেছিলেন তিনি। ফল নিয়ে ‘সন্দেহ’ থাকায় দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করার তিনি। তাতে আবার ফল আসে নেগেটিভ। কিন্তু আশরাফুলের দুর্ভাগ্য, দ্বিতীয় পরীক্ষায় নেগেটিভ এলেও জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে মাঠে নামা হয়নি তার। ফল যখন এসেছে, ততক্ষণে ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে!

এদিকে করোনা সন্দেহে প্রথম রাউন্ডের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে ছাড়াই মাঠে নেমেছে রংপুর বিভাগ। শনিবার ক্রিকেটারদের নমুনা নেওয়া হলে প্রতিবেদনে ‘ইনভ্যালিড’ দেখায়। ফলে দ্বিধায় পড়ে যায় রংপুর বিভাগ। শতভাগ নিশ্চিত হতে দ্বিতীয়বারের মতো তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যার ফল আসতে দেরি হওয়াতে ম্যাচটিতে খেলতে পারেননি নাঈম ইসলাম, আকবর আলী, আলাউদ্দিন বাবুরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের দ্বিতীয় পরীক্ষার ফল পাওয়া যায়নি।

এছাড়া মাঠে নামতে পারেননি এবাদত হোসেন ও সাদমান ইসলাম। এই মুহূর্তে তারা করোনা পরবর্তী পর্যবেক্ষণে আছেন। কেননা প্রথম রাউন্ডের আগের পরীক্ষায় দুজনই পজিটিভ হয়েছিলেন। মুমিনুল হক পজিটিভ হয়েছিলেন লিগ শুরুর আগে। এরপর নেগেটিভ হয়ে সোমবার মাঠে নেমেছেন। এবাদত হোসেন পজিটিভ হয়েছিলেন প্রথম রাউন্ডের তৃতীয় দিনে এসে। চিকিৎসার জন্য তাকে উঠিয়ে নেওয়া হলে সিলেট বিভাগের হয়ে খেলেন রেজাউর রহমান চৌধুরী রাজা।

সাবেক অধিনায়ক আশরাফুলের করোনা-বিড়ম্বনা দুই রকম ফলাফলেই স্পষ্ট। ফল পজিটিভ দেখে বিস্মিত আশরাফুল দ্বিতীয় দফায় করোনা পরীক্ষা করিয়ে জানতে পারেন তিনি নেগেটিভ। যদিও দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা হয়নি তার। এখন আশরাফুল তৃতীয় রাউন্ডের দিকে তাকিয়ে।