জিম্বাবুয়ে সিরিজ: হঠাৎ হাসির ঝলক খুলনায়

বার বার আশ্বাসের পরও বঞ্চিত হচ্ছিল ক্রিকেটের পয়মন্ত ভেন্যু খুলনা। দু’বছর আগে খুলনার মাঠে একদিনের ম্যাচের পর গত বছরের এপ্রিলে হয়েছিল একটি টেস্ট ম্যাচ। আর ২০০৬ সালে এখানে হয়েছিল দেশের টি-টেয়োন্টির উদ্বোধনী ম্যাচ। প্রত্যাশা থাকলেও দীর্ঘদিনেও খুলনার ক্রীড়ামোদীদের জন্য প্রাপ্তি ছিল হতাশাজনক।
অবশেষে বঞ্চিত খুলনাবাসীর জন্য ৯ বছর পর টি টেয়েন্টি ক্রিকেটের ভাগ্যের চাকা ঘুরল।এবার খুলনার শেখ আবু নাসের বিভাগীয় স্টেডিয়ামে হতে যাচ্ছে টানা চারটি টি টোয়েন্টি ম্যাচ। যেখানে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।
যেই খবরে বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে খুলনার ক্রিকেট পাগল মানুষ। খুলনার ক্রীড়ামোদীদের হৃদয়ে সৃষ্টি হয়েছে উচ্ছ্বাস। যাদের মুখে দেখা দিয়েছে হাসির ঝলক।

আগামী ১১ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ে দল ঢাকায় পৌঁছে খুলনায় আসবে ১২ জানুয়ারি। ১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে একদিন পর পর ৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে খুলনার মাঠে।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার আব্দুস সাত্তার কচি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খুলনায় টি টোয়েন্টি ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ প্রস্তুত হয়ে যাবে।’

খুলনাকে ভেন্যু ঘোষণা করায় নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামীম আহসান বলেন, ‘খবরটি খুলনার ক্রীড়ামোদীদের জন্য আনন্দের। তবে ক্রিকেট বোর্ড বেকায়দায় পড়ে হলেও খুলনায় শেষ পর্যন্ত খেলা দিয়েছে। খুলনার মাঠটি দেশের যে কোনও মাঠের চেয়ে উন্নতমানের ও ভালো। কিন্তু এই মাঠটিই খেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে অবহেলিত থাকে। এখানে খেলা দেওয়া হয় না।’

খুলনার উইনার্স ক্লাবের সভাপতি এস এম মোয়াজ্জেম রশিদী দোজা বলেন, ‘এটা খুলনাবাসীর জন্য সৌভাগ্যের। এ খবরে আমিও উচ্ছ্বসিত।’

খুলনা ব্রাদার্স ক্লাবের মো. ইমন বলেন, ‘ভেন্যুতে খেলা থাকলে তরুণ ও যুব সমাজকে বিপদগামীতা থেকে দূরে রাখা যায়। তারা খেলার সঙ্গে মিশে ভালো পথে থাকার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু খুলনা বরাবরই বঞ্চনার শিকার হয়। খেলা থাকলে ভেন্যুর অবকাঠামোগুলো সুরক্ষা পায়। নিয়মিত সংস্কার কাজ চলে। মাঠ পরিচর্যার মধ্যে থাকে। সব মিলিয়ে দেরিতে হলেও ভিন্নতার কারণে মাঠে খেলা আসায় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ।’

/এফআইআর/