লর্ডস টেস্টের প্রথম দুই দিনে পুরো আলো কেড়ে নিয়েছিলেন ডেভন কনওয়ে। অভিষেকে ডাবল সেঞ্চুরি (২০০) করে ১৫০ বছরের টেস্ট ইতিহাস বদলে ফেলেন কিউই এই ব্যাটসম্যান। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো করতে পারেননি তিনি। ২৩ রান করে দ্রুতই বিদায় নিয়েছেন অভিষিক্ত এই ক্রিকেটার। কনওয়ে ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন (১) রানে বিদায়ে চতুর্থ দিন শেষে কিউইদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৬১। রবিবার পঞ্চম ও শেষ দিনে ১৬৫ রান এগিয়ে থেকে শুরু করবে সফরকারীরা।
শুক্রবার (৪ জুন) টেস্টের তৃতীয় দিন বৃষ্টির কারণে ভেসে গেছে। দিনভর বৃষ্টিতে কোনও সেশনেই খেলা মাঠে গড়ায়নি। সবমিলিয়ে তাই প্রথম টেস্টে ভাগ্যে নিষ্প্রাণ ড্রই হয়তো অপেক্ষা করছে! তবে লর্ডস টেস্টের ভাগ্যে ফল আছে কিনা সেটি নির্ভর করছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড কত দ্রুত নিউজিল্যান্ডকে অলআউট করতে পারে। ইতোমধ্যে ১৬৫ রানে এগিয়ে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। টম লাথাম (৩০) ও নেল ওয়াগনার (১) রান নিয়ে অপরাজিত আছেন।
দিনের শেষ বিকালে নিউজিল্যান্ডে দুটি উইকেট নিয়েছেন রবিনসন। ব্যাট হাতে ৪২ রান করার পর দুটি উইকেট তুলে নেন এই পেসার।
শুক্রবার টানা বৃষ্টির পর শনিবার ২৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে স্বাগতিকরা নিজেদের ইনিংস শুরু করেছিল। আগের দিন ৫৯ রানে অপরাজিত থাকা রোরি বার্নস শনিবার সেঞ্চুরি পেয়েছেন। মূলত তার ১৩২ রানের ইনিংসের উপর ভর করেই ইংলিশরা ২৭৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে। বার্নস নিজের ইনিংস বড় করলেও ৪২ রানের বেশি করতে পারেননি অধিনায়ক রুট।
স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের যাওয়া আসার মিছিলে ১৪০ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় তারা। তবে সেঞ্চুরিয়ান রোরি বার্নসকে যোগ্য সঙ্গ দেন ওলি রবিনসন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও সাফল্য দেখান এই পেসার। দুইজন মিলে সপ্তম উইকেটে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। ১০১ বলে ৪২ রান করে যখন আউট হন, ততোক্ষণে ইংল্যান্ডের স্কোর দুইশো ছাড়িয়ে গেছে।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন টিম সাউদি। এ ছাড়া তিনটি উইকেট নিয়েছেন কাইল জেমিসন।
এদিকে প্রথম ইনিংসে অভিষিক্ত ডেভন কনওয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ড সংগ্রহ করেছিল ৩৭৮ রান।