নামেই আছি, আমাকে মিটিংয়ে ডাকা হয় না: খালেদ মাহমুদ

তামিম-সাকিবদের নতুন দুই কোচ নিয়োগ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকান সাবেক ব্যাটসম্যান অ্যাশওয়েল প্র্রিন্সকে। অন্যদিকে স্পিন বোলিং পরামর্শক হিসেবে নেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি রঙ্গনা হেরাথকে। অথচ সংশ্লিষ্ট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়েও এর কোন কিছুই জানেন না বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন!  

কিন্তু গত চার বছর ধরে ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন আকরাম খান। এমন ঘটনার পর খালেদ মাহমুদ নিশ্চিত নন যে, এই পদে তিনি বহাল আছেন কিনা! সাবেক এই ক্রিকেটারের অভিযোগ, পরিচালনা কমিটি সম্পর্কিত মিটিংয়ে ডাকা হয় না তাকে।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খালেদ মাহমুদ। বলেছেন, ‘আমি আসলে ক্রিকেট অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান আছি কিনা, সেটাও নিশ্চিত না। নামেই আছি, কারণ কোন মিটিংয়ে কখনও ডাকা হয় না। মাঝের দুই বছর তো ইমেইলই পায়নি, এখন কিছু কিছু পাই।'

ক্ষুব্ধ সাবেক এই অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক আরও বলেছেন, ‘‘পাপন ভাই তো দায়িত্ব দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। ‘তুমি এটা করলে কেন?’- এমন প্রশ্নও করেন না। আমি সব সময় যা চাই, আমাকে সেভাবে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন। উনি উল্টো বলেন, ‘ম্যাচ কেন খেলো না, ম্যাচ খেললে তো শিখবে।’’

জাতীয় দলের নতুন দুই কোচ নিয়োগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘আমার কথা হচ্ছে যে, যদি আমাকে না জানানোর প্রয়োজন মনে করে, তো আমি জানবো কীভাবে? আমি তো ক্রিকেট অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান। কিন্তু আমি কিছুই জানি না। কোচ নিয়োগের বিষয়টি জেনেছি আপনাদের থেকে না হয় পত্রিকা-টেলিভিশন দেখে। আমাকে কেউ জানায়নি।'

সুজনের অভিযোগের তালিকা এখানেই শেষ নয়। আরও যোগ করে বলেছেন, ‘হয়তো জৈব সুরক্ষা বলয়ে ছিলাম বলে, সেখানেও তো আমার কাছে ফোন ছিল। কিন্তু আমাকে জানানো হয়নি। এটা খবর শুনে জানলাম অ্যাশওয়েল প্রিন্স এবং রঙ্গনা হেরাথকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অথচ হেরাথের কথা আমিই প্রথমে বিসিবিকে বলেছিলাম।’