পাকিস্তানি পেসার হাসান আলীর বোলিংয়ে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। তারপরও অষ্টম উইকেটে লুইস গ্রেগরি ও ব্রাইডন কার্সের ৬৯ রানের রেকর্ড জুটিতে ৪৫.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে ২৪৭ রান। বৃষ্টির আইনে ৪৭ ওভারে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৮। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪১ ওভারেই অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। ফলে ডি/এল পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৫২ রানে জিতে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড। তৃতীয় উইকেটে ফিল সল্ট ও জেমস ভিন্সের ৯৭ রানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় তারা। ফিল সল্টের ৬০ ও জেমস ভিন্সের ৫৬ রান তাদের দারুণ অবস্থানে রেখেছিল। কিন্তু দ্রুত চার রানে তিন উইকেট হারিয়ে আবারো বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। ১৬০ রানে ৭ উইকেট হারানো দলটিকে ম্যাচে ফেরাতে ভূমিকা রাখেন গ্রেগরি ও কার্স জুটি। তারা দুজনে মিলে ৬৯ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন। তাতেই ইংল্যান্ডের স্কোর দাড়ায় ২৪৭ রানে। গ্রেগরি ৪০ ও কার্স ৩১ রানে হাসান রউফের শিকার হন। হাসান ৯.২ ওভারে ৫১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া রউফ নেন দুটি উইকেট।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ভূমিকা রাখা গ্রেগরি ও কার্স বল হাতেও দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ১৯৫ রানে। ৫৬ রান করে তাদের সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন সৌদ শাকিল। হাসান করেন ৩১ রান।
সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন গ্রেগরি, একটি নেন কার্স। সাকিব মাহমুদ, ক্রেইগ ওভারটন ও ম্যাট পার্কিনসন দুটি করে উইকেট পান। অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন গ্রেগরি।