মাথায় বল লেগে ছুরি-কাঁচির নিচে যুব দলের তৌহিদুল

অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা যখন আফগানিস্তানের সিরিজকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত। ঠিক সেই মুহূর্তে তাদের সতীর্থ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের বেডে শুয়ে মাঠে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন! স্বস্তির খবর হলো সফল অস্ত্রপচার শেষে এই মুহূর্তে অনেকটাই সুস্থ যুব দলের এই ক্রিকেটার। বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার আবু এনাম মোহাম্মদ কায়সার।

গত জুলাইয়ের শেষ দিকেই অঘটনটি ঘটেছিল। ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিসিবির কোচ একেএম মাহমুদ ইমনের তত্ত্ববধানে অনুশীলন করতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান তৌহিদুল। থ্রোয়িংয়ের একটি বল স্টাম্পে লেগে বলটি সরাসরি তার মাথার সামনের অংশে লেগে যায়। সঙ্গে সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তৌহিদকে নেওয়া হয় সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। 

কোচ একেএম মাহমুদ ইমন ওই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘দুই সপ্তাহ আগে ও অনুশীলন করার সময় মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাৎক্ষণিক আমরা তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখানে যাওয়ার পর অবস্থা বেগতিক দেখলে আমরা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করি।’

সিলেট থেকে ডাক্তাররা দ্রুত ঢাকায় নিয়ে তৌহিদের অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। এর পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে গত ২১ আগস্ট তার অপারেশন হয়। সফল অস্ত্রপচারের পর এই মুহূর্তে অনেকটাই ভালো যুব দলের এই ক্রিকেটার। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টের ম্যানেজার আবু এনাম মোহাম্মদ কায়সার বলেছেন, ‘জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময় ব্যক্তিগত অনুশীলন করতে গিয়ে তৌহিদুল মাথায় আঘাত পান। একজন থ্রোয়ারের বল স্টাম্পে লেগে এরপর ওর মাথার সামনের দিকে আঘাত করে। ২১ তারিখে একটা সার্জারিও হয়েছে। এই মুহূর্তে সব ঠিকঠাক আছে। এখন এভারকেয়ারে ভর্তি। আশা করা যাচ্ছে, অল্পকিছুদিনের মধ্যে তৌহিদুল সুস্থ হয়ে উঠবে।’

জাতীয় দলের ক্রিকেটার না হলেও তৌহিদুলের চিকিৎসায় কমতি রাখছে না বিসিবি। অর্থনৈতিক সমর্থন দেওয়া থেকে সম্ভাব্য সবকিছু করছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ‘এ ব্যাপারে বিসিবি থেকে আমরা সার্বক্ষণিক সহযোগিতা দিচ্ছি। সিলেটে ওর সিটি স্ক্যানসহ, ডাক্তার দেখানো, পরবর্তীতে আরও ভালো চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়গুলো বিসিবি দেখভাল করছে।’