নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে কিপিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন দুই উইকেটকিপার। তা অবশ্য দুই ম্যাচ করে। শুধু তাই নয়, অভিজ্ঞ মুশফিককে বসতে হচ্ছে অগ্নিপরীক্ষাতেও। প্রথম দুই ম্যাচে কিপিং করা সোহানের চেয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে ভালো করলেই কেবল পঞ্চম ম্যাচে কিপিংয়ের গ্লাভস পাবেন তিনি! তাতে একটি সিরিজে এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোন প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদউল্লাহ যা বলেছেন, তাতে বোঝা গেছে যে এর নেতিবাচক কিছু দেখছেন না তিনি। বরং দাবি করেছেন, মুশফিক খুশি মনেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।
মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বলেছেন, ‘ইটস অ্যাবসলিউটলি ফাইন। কোন অসুবিধাই নেই। সত্যি বলতে, দুজনই খুশি আছে। টিম ম্যানেজমেন্টও খুশি। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের খুব একটা ইয়ে নেই… সোহান আগের সিরিজে ভালো কিপিং করেছে। মুশি তো অসাধারণ বছরের পর বছর ধরেই। লিটনের কিপিংয়ের কথা তো এখনও বলাই হয়নি (হাসি)…।‘
পাল্টা প্রশ্নে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘অল ইকুয়াল, অল গুড অ্যাট দ্য মোমেন্ট। এটা নিয়ে কোন ইয়ে নেই… গোটা দলই পজিটিভ আছে এবং তারাও (মুশফিক-সোহান) খুব পজিটিভ।’
কিপিংয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে মাহমুদউল্লাহর দাবি, ‘প্রভাবের কিছু নেই। মুশফিক টিমম্যান এবং দুর্দান্ত সতীর্থ। খুশী মনেই সে কিপিংয়ের দায়িত্ব সোহানের সঙ্গে ভাগাভাগি করছে। সে খুশি, সোহানও খুশি। ওয়ার্কলোড ভাগাভাগি করে নেওয়া তাই দলের জন্যই ভালো।’
জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়ে সোহান জাতীয় দলে ফিরেছেন তিন বছর পর। এই সময় কিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও মুগ্ধ করেছেন। কিন্তু জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মুশফিক ছিলেন না। তাই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফেরার পরই কিপিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।