সাইফউদ্দিনের কাছে ম্যাচ জেতার আত্মবিশ্বাসই বড়

মিরপুরের স্লো উইকেটে বাংলাদেশেরই রাজত্ব। টি-টোয়েন্টি সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারানোর পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও শুভ সূচনা করেছে। কিন্তু আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিশ্চিতভাবেই এমন কন্ডিশন পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তাহলে কি এর কোন প্রভাব পড়বে? কিন্তু বেশিরভাগ ক্রিকেটারই মনে করছেন, ম্যাচ জেতার চেয়ে বড় আত্মবিশ্বাস আর কিছুতে নেই।

ওমান ও আরব আমিরাতের উইকেট মিরপুরের মতো এত স্লো নয়। ওখানে গিয়ে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার থাকলেও সাইফউদ্দিনরা ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাসকেই বড় করে দেখছেন, ‘আমরা যখন ম্যাচ জিতি, তখন ক্রিকেটাররা শুধু নয়, সারা বাংলাদেশই খুশি হয়। দিনশেষে আসলে সবাই বাংলাদেশের জয়টা দেখতে চায়। হয়তো কন্ডিশন একটু ভিন্ন বা কম রান হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট অনুযায়ী। কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ম্যাচ জেতার জন্যই খেলি, সেটা ১৯০ রান চেজ করেই হোক বা শুধু ৯০ রান হোক। যদিও বিশ্বকাপ খেলতে গেলে কন্ডিশন একটু ভিন্ন হবে। তবে ওমানে অনুশীলনের সুযোগ পাবো। সেখানে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবো।’

তার আগে অবশ্য নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি ম্যাচগুলো জিতে আত্মবিশ্বাসে টগবগে থাকতে চাইছেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার, ‘টি-টোয়েন্টি এমন একটা ফরম্যাট, এখানে ফেভারিট বলাটা কঠিন। এজন্য আত্মবিশ্বাসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা টানা জয়ের ধারায় আছি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে পারলে, বিশ্বকাপের কোয়ালিফাই ম্যাচ থেকে শুরু করে সব ম্যাচে ভালো কাজে দিবে।’

সাইফউদ্দিন আরও যোগ করে বলেছেন, ‘হয়তো বা এখানকার অভিজ্ঞতাটা খুব একটা কাজে আসবে না। কিন্তু আত্মবিশ্বাসটা যদি নিয়ে যেতে পারি। তাহলে ওখানে (ওমানে) যতটা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবো, ততটাই ভালো হবে। আমরা বোলাররা অনেক বেশি সক্ষম, অনেক কন্ডিশনেই ম্যাচ খেলেছি। সুতরাং মানিয়ে নিতে পারবো বলে বিশ্বাস আছে।’

মিরপুরের টার্নিং উইকেটে সাফল্য আসলেও সাইফউদ্দিন জানালেন বিরুদ্ধ কন্ডিশন জয় করতেও কাজ করছেন তিনি, ‘পেস বোলার হিসেবে আমাকে সব কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। পরের ম্যাচে যদি পিচের চরিত্র বদল হয়, তাহলে সে অনুযায়ী বাউন্সার, স্লোয়ার, ইয়র্কার বা ওয়াইড ইয়র্কার দেওয়ার চেষ্টা করবো। যেহেতু এখানে কাটারটা বেশি কার্যকরী, তাই এখন এটার চেষ্টা করছি।’