প্রধান নির্বাচকের ভাষ্য মতে মুশফিকুর রহিমকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে দল ঘোষণার দিন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু তেমনটাই জানিয়েছেন। কিন্তু বেশ কিছু গণমাধ্যমে এ নিয়ে ভিন্ন মন্তব্যই করতে দেখা গেছে মুশফিকুর রহিমকে। বলেছেন, তিনি বিশ্রাম চাননি। তাহলে কি মুশফিককে বাদ দেওয়া হয়েছে?
বৃহস্পতিবার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাছে এমন প্রশ্ন ছিল সংবাদকর্মীদের। কিন্তু সেই প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন তিনি। তবে উত্তরের ধরন দেখে এটাই প্রতীয়মান হয়, ম্যানেজমেন্টের কোনও অংশেই তার ভূমিকা হয়তো নেই। না হলে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর কৌশলী হয়ে দিতেন না।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি মাঠে গড়াবে শুক্রবার। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক প্রসঙ্গ তুলতেই মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘এটা টিম ম্যানেজমেন্টের কাউকে প্রশ্ন করলে সম্ভবত ভালো হবে। দেখেন মুশফিক কি বলেছে, আমি নিজেও জানি না। আগে দেখি, তারপর সম্ভবত এ নিয়ে কিছু বলতে পারবো।’
সব মিলিয়ে অভিজ্ঞ মুশফিক-মাহমুদউল্লাহরা ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন বলা যায়। এমন পড়ন্ত বেলায় বিশ্রামের নামে মুশফিককে বাদ দেওয়াটাকে কীভাবে দেখছেন মাহমুদউল্লাহ? এমন প্রশ্নেও কূটনৈতিক পথেই উত্তর দিলেন অধিনায়ক, ‘আসলে এটা পুরোটাই টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত। আমি নিজে এই মুহূর্তে আসলে এটা নিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে এতটুকু বলতে পারি যে আমরা অবশ্যই মুশফিককে মিস করতে যাচ্ছি।’
তবে মাহমুদউল্লাহ যে রেখেঢেকে কথা বলছেন, তার আভাস মিলেছে এমন মন্তব্যেই, ‘আমার অবস্থান সম্পর্কে যদি বলতে যাই, তাহলে অনেক কিছুই বলা হবে, অনেক ভেতরের কথা আসবে। আমার মনে হয় না এটা এখন বলা উচিত। মুশফিক সম্পর্কিত প্রশ্নের ভালো উত্তর দিতে পারবে টিম ম্যানেজমেন্ট।'
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর মাহমুদউল্লাহর অধিনায়কত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার নেতৃত্বেই মাঠে নামছে দল। সিরিজটি তাহলে মাহমুদউল্লাহ কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন? নেতৃত্ব নিয়ে এমন প্রশ্নে অধিনায়ক জানালেন, ‘এটা সম্পূর্ণ টিম ম্যানেজমেন্ট বা বোর্ডের ওপর নির্ভর করছে। তো এ জিনিসটা নিয়ে আমি খুব একটা চিন্তিত না। যদি ওনারা আমাকে যোগ্য মনে করেন, তো আমি কন্টিনিউ করবো। কিন্তু এ মুহূর্তে সিরিজটা নিয়ে চিন্তা করছি।’