ভারতের বিপক্ষে আগের সিরিজেই এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন এজাজ প্যাটেল। অথচ বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজেই কিনা দলে সুযোগ হলো না নিউজিল্যান্ড স্পিনারের। এ নিয়ে হতাশা থাকলেও বাস্তবতা বুঝছেন এজাজ। পেস নির্ভর নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে পেসারদের আধিক্য বেশি থাকায় বাদ পড়ে অবাক হননি বাঁহাতি স্পিনার।
টেস্ট ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন এজাজ। ভারতের বিপক্ষে মুম্বাই টেস্টে এই কীর্তি গড়েন তিনি। ওই সাফল্যের পরও বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে জায়গা ধরে রাখতে পারেনি এজাজ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে স্পিনারদের খুব একটা সাফল্য নেই বলেই তার বাদ পড়া। বিষয়টি ভালোমতোই বুঝতে পারছেন এই স্পিনার।
তিন বছরের পরিসংখ্যান বলছে, নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে স্পিনারদের তুলনায় পেসারদের সাফল্যের গ্রাফ অনেক অনেক উঁচুতে। এই সময়ে স্পিনাররা বল করেছেন ১৫২.৩ ওভার, সাফল্য হিসেবে আছে মাত্র ৭ উইকেট। অন্যদিকে পেসাররা বল করেছেন দশ গুনেরও বেশি। উইকেট এসেছে ১৯৬টি। বোলিংয়ের এই পরিসংখ্যানের সঙ্গে কিউইরা দলে ব্যাটিংয়ের সংখ্যা বাড়ানোর দিকেও বাড়তি মনোযোগ দিয়েছে। এই কারণেই দুই টেস্টের স্কোয়াডে স্পিনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র, যিনি আবার ব্যাটিং অলরাউন্ডার।
বাস্তবতা মেনে এজাজ বলেছেন, ‘সত্যি যেটা হলো, তারা (নিউজিল্যান্ড দল) ঘরের মাঠে আরও ব্যাটিং চাইছে। যে কারণে আমি বিষয়টি (ব্যাটিং) নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি, ভালো কিছু ইনিংস খেলার সুযোগ পাবো এবং দেখানোর চেষ্টা করবো যে ভালো করার ক্ষুধা আমার মধ্যে আছে।’
কিউইদের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে এই স্পিনারের বক্তব্য, ‘এই মুহূর্তে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা পেস আক্রমণ রয়েছে আমাদের সঙ্গে। অন্য যুগকে আমি অসম্মান করছি না, তবে এটাই এখন বাস্তবতা। ভবিষ্যতে হয়তো অন্যরকম কিছু হবে। তখন হয়তো এই কন্ডিশনে বিশেষজ্ঞ স্পিনার আরও মূল্যবান হয়ে উঠবে।’