ওয়ান্ডারার্সে খেলার অনভিজ্ঞতাকেই সামনে আনলেন তামিম

সেঞ্চুরিয়নের উল্টো চিত্র মঞ্চায়িত হলো ওয়ান্ডারার্সে। প্রথম ম্যাচে তিন বিভাগে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিল তামিম ইকবালরা। কিন্তু রবিবার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দেখা মিললো বিবর্ণ এক টিম পারফরম্যান্সের। প্রোটিয়া পেসার রাবাদার তোপে মুখ থুবড়ে পড়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। এমন বিব্রতকর ব্যাটিংয়ের পর বোলিংটাও ছিল নির্বিষ। তাতে সাত উইকেটে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অধিনায়ক তামিম ইকবাল মনে করছেন, ওয়ান্ডারার্সে খুব বেশি না খেলার কারণেই নিজেদের সেরাটা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

রবিবার জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্সের ব্যাটিং স্বর্গে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ দল। কিন্তু ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ৩৪ রানেই টপের ৫ ব্যাটারকে হারায় তামিমরা। সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহ-আফিফের ৬০ এবং আফিফ-মিরাজের ৮২ রানের জুটিতে কোনোমতে ১৯৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। সহজ এই লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৭৬ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে প্রোটিয়া দল।

দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে গতিময় পেসার থাকা সত্ত্বেও কেন আগে ব্যাটিং নেওয়া এমন প্রশ্নে তামিম বলেছেন, ‘এখানে আমাদের ম্যাচ খেলার খুব বেশি অভিজ্ঞতা নেই। আমরা পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং পরিসংখ্যান দেখেই শুরুতে ব্যাটিং নিয়েছি।’

অবশ্য ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে ওয়ান্ডারার্সে খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। ওই ম্যাচটি ৩২ রানে হেরেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। মূলত ব্যাটিং নিয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার কারণেই বাংলাদেশ আগে ব্যাট করতে নেমেছিল বলে জানালেন ওয়ানডে অধিনায়ক, ‘প্রথমে ব্যাট করেছি কারণ, আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, উইকেটও ভালো ছিল। ভালো শুরু এবং ভালো লক্ষ্য দাঁড় করানোর পরিকল্পনা ছিল।’ তামিম আরও যোগ করে বলেছেন, ‘আমরা কোনও পরিবর্তন করিনি। পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সেগুলো তো বাস্তবায়নও করতে হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে তাদের চাপে রাখতে পারতাম।’