বিপজ্জনক ডি কককে ফেরালেন মিরাজ

সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে আগ্রাসী সূচনা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আগ্রাসী সূচনার বিপরীতে বিপজ্জনক কুইন্টন ডি কককেও ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। টস জিতে ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়াদের সংগ্রহ ৯ ওভারে ১ উইকেটে ৫৬ রান। ক্রিজে আছেন কাইল ভেরিয়েনে (২) ও জানেমান মালান (৩৫)।

শরিফুল ইসলাম প্রথম ওভারে প্রোটিয়াদের বিপদে ফেলার চেষ্টা করলেও রিভিউ নষ্ট করেছেন। দ্বিতীয় বলটি ব্যাটের খুব কাছ দিয়ে যাওয়ায় শরিফুল মনে করেন, বলটি ব্যাট ছুঁয়ে গেছে। তামিমকে রিভিউ নিতে বাধ্য করেন তিনি। কিন্তু রিভিউতে দেখা গেছে বল ব্যাটেই লাগেনি! 

তৃতীয় ওভারে আবারও শরিফুলের দারুণ লেংথের বলে বাতাসে বল উঠেছিল। ব্যাটার ছিলেন কুইন্টন ডি কক। কিন্তু বল ফিল্ডারের কাছে যাওয়ার আগেই মাটিতে ড্রপ খেয়েছে। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হাত খোলা শুরু করেন মালান। মেরে খেলতে থাকেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে আক্রমণে আনা হয় অফস্পিনার মিরাজকে। নিজের দ্বিতীয় ওভারে ব্রেক থ্রুও এনে দেন শেষ পর্যন্ত। আগের বলে চার মারা কুইন্টন ডি কককে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানিয়েছেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঝড় তোলা প্রোটিয়া ব্যাটার এদিন ফিরেছেন মাত্র ১২ রানে।   

এই সেঞ্চুরিয়নেই প্রথম ওয়ানডে জিতে ইতিহাস তৈরি করেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় জিতেছে প্রথম কোনও ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে সমতা ফিরিয়েছে। ফলে তৃতীয় ওয়ানডেটি হয়ে দাঁড়িয়েছে অলিখিত ফাইনালে। বাংলাদেশ এই ম্যাচ জিততে পারলে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম কোনও সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে।

সেঞ্চুরিয়নের পরিসংখ্যান বলছে, ১২ ম্যাচের মধ্যে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩০০ প্লাস রান করা দল মাত্র দুবার হেরেছে। ফলে প্রোটিয়ারা স্বাভাবিকভাবেই চাইবে স্কোরবোর্ডটা সমৃদ্ধ করতে।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), ইয়াসির আলী, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: জানেমান মালান, কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), তেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), কাইল ভেরিয়েনে, রাসি ফন ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাদা, কেশব মহারাজ, লুঙ্গি এনগিদি, তাবরেজ শামসি।