প্রথম ইনিংসে অভিজ্ঞ ব্যাটারদের ব্যর্থতায় লিড নিতে পারেনি বাংলাদেশ দল। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার করা ৩৬৭ রানের জবাবে খেলতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয়ের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে কোনও রকমে ২৯৮ রান করতে পারে বাংলাদেশ দল। ফলে ৬৯ রানের লিড নিয়ে চতুর্থদিন শুরু করবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রথম দিনের মতো আজ তৃতীয় দিনেও আলোর স্বল্পনার কারণে আগে ভাগে খেলা শেষ হয়েছে। বিনা উইকেটে ৬ রান তোলা প্রটিয়ারা নতুনভাবে কাল চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করবে। বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স মনে করেন এই উইকেটে ২৫০ রান তাড়া করা কঠিন হবে। সেই হিসাবে ১৮১ রানের মধ্যে স্বাগতিকদের অলআউট করতে হবে।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা ব্যাটিং কোচ সিডন্স জানিয়েছেন, ‘২৫০ রান তাড়া করা খুব কঠিন হবে। এটা হবে কঠিন এক পরীক্ষা, কারণ উইকেটে এরই মধ্যে টার্ন মিলতে শুরু করেছে। আমরা দেখেছি আজ শান্ত টার্ন করিয়েছে, যদিও সে আমাদের সেরা স্পিনারের একজন নয়।’
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে প্রথম সেশনেই ৩/৪টি উইকেট তুলে নেওয়ার বিকল্প দেখছেন না বলে মনে করেন সিডন্স। বলেন ‘প্রথম সেশনে তিন বা চারটি উইকেট নিতে পারলে আমরা ম্যাচে ফিরবো। আমরা অতি আক্রমণাত্মক খেললে ওরা দ্রুত রান করতে পারে এবং ম্যাচ আমাদের হাত থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। আমরা এখনও পিছিয়ে আছি, তাই বেশি রান দিতে পারি না। আমার মনে হয়, এটা ২৮০ থেকে ৩০০ রানের উইকেট, ৩৬০ এর নয়। সেই ৬০ রান পূরণের এক পথ আমাদের বের করতে হবে। আমাদের প্রথম সেশনেই উইকেট লাগবে।’
সিডন্সের ভয় হচ্ছে প্রথম সেশনে স্বাগতিকরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে হবে। তিনি বলেন, ‘যদি ওরা (দক্ষিণ আফ্রিকা) প্রথম সেশনে ৮০-৯০ রান করে ফেলে, আমরা সত্যিই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবো। তখন আমাদের আবহাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। এরই মধ্যে আলোকস্বল্পতার জন্য আমরা বেশ কিছু ওভার হারিয়েছি। আজও তেমনটাই হয়েছে, সাড়ে তিনটা কিংবা চারটার সময় বেশ আঁধার নেমে এসেছে।’
উইকেট নিয়ে সিডন্স আরও বলেন, ‘ওদের স্পিনাররা গতকাল (শুক্রবার) ও আজ (শনিবার) খুব ভালো বোলিং করেছে। আমরা যে লক্ষ্য তাড়া করি, মহারাজকে খেলা কঠিন হবে। কিছু কিছু বল নিচুও হচ্ছে। ক্রিকেটের জন্য এটা খুব ভালো উইকেট। যদি আমরা ৭০ রানে পিছিয়ে না থাকতাম, তাহলে এই উইকেটে বোলিংয়ের পর রান তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে আরও আশাবাদী থাকতাম।’