এনামুলের ইনিংসকে ম্লান করে দিলেন পারভেজ রসুল

আরও একটি জয়ের সুবাস পাচ্ছিল প্রাইম ব্যাংক। কিন্তু পারভেজ রাসুলের দায়িত্বশীল ইনিংসে ১ বল হাতে রেখে ১ উইকেটের অসাধারণ এক জয় পেয়েছে শেখ জামাল। এই জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে সমান ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে উঠে গেছে শেখ জামাল।

মঙ্গলবার ইউল্যাব মাঠে এনামুল ও অভিমন্যু ঈশ্বরণের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে প্রাইম ব্যাংক। জবাবে শেষ দিকে চরম উত্তেজনা ছড়ায় শেখ জামাল। ওই সময় দুই দলেরই জয়ের সুযোগ ছিল। কিন্তু পারভেজ রসুলের দায়িত্বশীল ব্যাটে শেখ জামালই শেষ হাসি হেসেছে। ভারতীয় এই ব্যাটার ৫১ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় নিজের অপরাজিত ইনিংসটি সাজিয়েছেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। রবিউল হকের বলে এক চার ও এক ছক্কায় এক বল আগেই তুলে নেন প্রয়োজনীয় রান।

অথচ মিডল অর্ডারে পারভেজ রসুল ছাড়া অন্যরা ব্যর্থ হলে ম্যাচ জয় নিয়েই সংশয় জেগেছিল এক সময়। ২২৩ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে শেখ জামাল তখন খাদের কিনারায়! নবম উইকেটে মৃত্যুঞ্জয়কে সঙ্গে নিয়ে পারভেজ ১৬ এবং দশম উইকেটে আরিফকে সঙ্গে নিয়ে ২৭ রানের জুটি গড়েন। এর আগে টপ অর্ডার দুই ব্যাটার সৈকত আলী (৬৫) ও ইমরুল কায়েসের(৫২) জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে শুরুর ভিতটা পায় শেখ জামাল। প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসান, রাকিবুল হাসান ও অলক কাপালি প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে প্রাইম ব্যাংকের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। উদ্বোধনী জুটিতেই ১২০ রান তুলেন এনামুল হক বিজয় ও শাহাদাত হোসেন দিপু। দারুণ ফর্মে থাকা বিজয় আজও একটি হাফসেঞ্চুরি পেয়েছেন। স্পিনার রবিউল ইসলাম রবির বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার আগে ৬১ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় করেছেন ৭৭। কিন্তু ১২০ থেকে ১৫৩ রান যেতেই প্রাইম ব্যাংক ৬ উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারিয়ে বসে। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও মেহেদী হাসানের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করতে পারে প্রাইম ব্যাংক। ৮১ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন ঈশ্বরন। মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৪০ রান।

১০ ওভারে ১ মেডেনে ২৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন পারভেজ রসুল। মৃত্যুঞ্জয় ও তাইবুর পেয়েছেন ২টি করে উইকেট।