টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৬৪ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর ৬.১ ওভারে তুলে নিয়েছে তিন উইকেট। স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৭ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৪৭ রান।
নাসুম আহমেদকে তৃতীয় ম্যাচে ফেরানোর সুফল মেলে প্রথম ওভারেই। যদিও এই ওভারের শুরুর বলেই ছক্কা হজম করেন তিনি। শেষ বলটা অবশ্য ফুলার লেংথে করেছিলেন। ব্রেন্ডন কিং প্রলুব্ধ হয়ে ভুল করেই বসেন তার পর। মিড অনে ক্যাচ তুলে দেন মাহমুদউল্লাহর হাতে। ৫ বল খেলা কিং হাত খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন ৭ রান করে।
চতুর্থ ওভারে শেখ মেহেদী শামার ব্রুকসকে এনামুলের তালুবন্দি করালে কিছুটা চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। ব্রুকস ১২ বলে ২ চারে ১২ রানে ফিরেছেন। তাতে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ যে অবস্থানটায় ছিল, ক্যারিবীদের আরেকটু কম রানে আটকে চাপে রাখতে পেরেছে সফরকারীরা।
সপ্তম ওভারে সাকিব নিজের প্রথম বলেই ওডিন স্মিথকে এলবিডাব্লিউ করলে পুরোপুরি চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্মিথ ৪ বলে ২ রান করতে পেরেছেন।
তার আগে সিরিজে প্রথমবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। পুরোপুরি টি-টোয়েন্টি সুলভ না হলেও লিটন দাস, আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেটে করতে পারে ১৬৩ রান।
লিটন দাস ৪১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। তুলনায় আফিফের স্ট্রাইক রেট ছিল বেশি। জীবন পেয়েও ৩৮ বলে ২টি চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করেছেন। মাহমুদউল্লাহ ধীর গতিতে খেলে ২০ বলে করতে পারেন ২২ রান।