এই প্রথম মেয়েদের ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম বা এফটিপি প্রকাশ করেছে আইসিসি। ২০২২ সালের মে থেকে শুরু হওয়া চক্রটি চলমান থাকবে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। দশটি দল ধরে এই সময়ে মেয়েদের মোট ম্যাচ খেলা হবে ৩০১টি। বাংলাদেশ দল ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। যা গতবারের তুলনায় অনেক বেশি।
শুরুতে আগামী ডিসেম্বরেই নিউজিল্যান্ড সফর করবে নিগার সুলতানারা। তিন ওয়ানডের সঙ্গে খেলবে সমসংখ্যক টি-টোয়েন্টি। আগামী বছর সফর করবে শ্রীলঙ্কাতেও। সেখানে সমসংখ্যক ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলা হবে।
তার পর ঘরের মাঠে ২০২৩ সালের জুন-জুলাইয়ে ভারতকে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তিন ওয়ানডের পাশাপাশি খেলা হবে তিন টি-টোয়েন্টি। তার পর একই বছরের অক্টোবর-নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষেও সম সংখ্যক ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি খেলা হবে। ওই সিরিজ শেষে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানেও থাকছে তিনটি ওয়ানডের পাশাপাশি তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকে ২০২৪ সালের মার্চে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। খেলবে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি। একই বছরের ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে তিন ওয়ানডে ও ৫ টি-টোয়েন্টি।
ভবিষ্যৎ সফর সূচির সর্বশেষ সিরিজে বাংলাদেশ সফর করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখানে অবশ্য তিন ওয়ানডের সঙ্গে সমসংখ্যক টি-টোয়েন্টি খেলা হবে।
এখানে আরেকটি দিকও উল্লেখযোগ্য। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজগুলো আবার উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। অর্থাৎ ২০২৫ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে এই সিরিজগুলোর ফল বিবেচ্য হবে। দশটি দল মোট ৮টি ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। চারটি হোম আর চারটি বিদেশের মাটিতে। স্বাগতিক ভারতসহ টেবিলের শীর্ষে থাকা ৫টি দল সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার যোগ্য বিবেচিত হবে। তলানির চার দল তখন আরও চার দলের সঙ্গে খেলবে বাছাই টুর্নামেন্ট। সেখান থেকে মাত্র দুটি দল বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।