এদিন বল হাতে কারিশমা দেখাতে না পারলেও ব্যাট হাতে ছিলেন দায়িত্বশীল। ১৩৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা করাচির ব্যাটিং লাইন আপ দ্রুত ভেঙে পড়ে গেলেও ২২ বলে ২০ রান করে ভূমিকা রাখেন সাকিব। কিন্তু দলীয় ৮৬ রানে সাকিব সাজঘরে ফিরে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে করাচি। তবে শেষ দিকে রবি বোপারা ঝড়ো কিছু শট খেলে ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেননি। ৯ উইকেটে ১৩০ রানে থামে করাচি। বোপারা অপরাজিত থাকেন ৩২ রানে। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ইমাদ ওয়াসিম।
এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের সংগ্রহ ছিল আট উইকেটে ১৩২ রান। ইনিংসের ভিত্তি দিতে আসা শেন ওয়াটসন ও শারজিল খান ৪.১ ওভারে ৩১ রানের জুটি গড়েন। ওয়াটসন ১৩ রানে বিদায় নিলে অবশেষে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। শারজিল টিকে ছিলেন এববং দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে খালিদ লতিফকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৩৫ রানের আরেকটি পার্টনারশিপ। দলীয় ৭৬ রানে ব্যক্তিগত ২৮ রানে শারজিলের বিদায় নেওয়ার পর হঠাৎ করেই ভেঙে পড়ে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের ইনিংস। আসহার জাইদি, আন্দ্রে রাসেল ও মিসবাহ উল হক যথাক্রমে ৬, ২ ও ৪ রানে বিদায় নিলে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। খালিদ লতিফ ৩৫ বলে দুটি চার ও একটি ছক্কার মারে ৩৯ রান করেন। সঙ্গে শেষ দিকে মোহাম্মদ সামির করা ৯ বলে ২০ রানে লড়ার মতো একটি পুঁজি দাঁড় করায় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।
ইংলিশ অলারাউন্ডার রবি বোপারা ২৪ রানে করাচির পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। মোহাম্মদ আমির, সোহেল তানভির ও উসামা মির নেন একটি করে উইকেট। বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দুই ওভার বল করে ১১ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি।
/আরএম/এফআইআর/