তৃতীয় টেস্ট জয়ের সঙ্গে সিরিজও ইংল্যান্ডের

জয়ের মঞ্চটা গতকালই তৈরি হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টেস্টে তাদের ১৩০ রানের লক্ষ্য দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই রান তাড়া করতে নেমে জ্যাক ক্রলি ও অ্যালেক্স লিস বিনা উইকেটে চতুর্থ দিন তুলে ফেলে ৯৭ রান। শেষ দিন বাকি কাজ করতে মাত্র ৫.৩ ওভার আর ২৫ মিনিট লেগেছে ইংলিশদের। ১ উইকেট হারিয়ে ৯ উইকেটের জয়ে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে বেন স্টোকসের দল। তাতে স্টোকস-ম্যাককালাম যুগের দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত থাকলো। ৭ টেস্টের মাঝে জিতলো ৬টি টেস্টেই।     

ক্রলি ৬৯ রানে অপরাজিত থেকেছেন। ওলি পোপ তার সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন ১১ রানে। লিস শুধু রাবাদার বলে এলবিডাব্লিউতে ৩৯ রানে ফিরেছেন। 

শোককে শক্তিতে পরিণত করেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। প্রথম দিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দিনের খেলা বন্ধ থাকে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে। তার পর টেস্ট শুরু হলেও ঘোষণা আসে বাকি তিনদিনে খেলা শেষ করতে। ফল বের করতে মাত্র ১৫১.৩ ওভার খেলা হয়েছে। তৃতীয় দিনে তো আধিপত্য ছিল পেসারদেরই। পড়েছে ১৭ উইকেট। প্রোটিয়াদের ১১৮ রানের জবাবে ইংল্যান্ডও প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় ১৫৮ রানে। অথচ একটা সময় ইংল্যান্ড দুই উইকেটে ৮৪ রান তুলেছিল। তার পর তো মার্কো ইয়ানসেনের ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট শিকারে ইংলিশরা ধসে গেছে। প্রোটিয়া এই পেসার ৩৫ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। কাগিসো রাবাদাও ৮১ রানে নেন ৪টি।

এর পর দ্বিতীয় ইনিংসে বেন স্টোকস ও স্টুয়ার্ট ব্রডের গতিতে ১৬৯ রানে শেষ হয় প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংস। অধিনায়ক স্টোকস ৩৯ রানে তিনটি উইকেট নেন। ব্রডও ৪৫ রানে নেন সমসংখ্যক উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন জেমস অ্যান্ডারসন ও ওলি রবিনসন। তাতে স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩০।

প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে ৫টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০ রানে দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা ওলি রবিনসন। আর ১৪৯ রান ও ১০ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস।