৮ বছর পর সুযোগ পাওয়া সোহেলিই অবদান রাখলেন জয়ে

নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছে ৬ উইকেটে। তাতে বাছাইয়ের ‘এ’ গ্রুপে শীর্ষেও উঠে গেছে নিগার সুলতানার দল।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামলেও শুরুটা প্রত্যাশিত ছিল না স্কটল্যান্ডের। পাওয়ার প্লের মাঝেই হারায় দুই ওপেনার অ্যালিসা লিস্টার ও সাসকিয়া হর্লির উইকেট। তার পর পর বিদায় নেন অধিনায়ক ক্যাথরিন ব্রাইসও।

দুই ওভারে অফস্পিনার সোহেলি আকতার ৩ উইকেট নিয়ে স্কটল্যান্ডকে ব্যাক ফুটে ঠেলে দেন। বাংলাদেশের দুর্দান্ত ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এক পর্যায়ে স্কটিশদের স্কোর দাঁড়ায় ৪২ রানে ৭ উইকেট! অথচ এই সোহেলি আক্তার টুর্নামেন্ট খেলতে গেছেন বদলি ক্রিকেটার হয়ে। তাও আবার সুযোগ পেয়েছেন ৮ বছর পর! টুর্নামেন্টের আগে সর্বশেষ খেলেছিলেন ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল।

সোহেলির ঘূর্ণিতে স্কটিশদের দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলেও শেষ দিকে তা বিলম্বিত হয় লর্না জ্যাক ও র‌্যাচেল স্লেটার ২৯ রানের পার্টনারশিপে। তাদের পার্টনারশিপের পর শেষ পর্যন্ত ৭৭ রানে অলআউট হয়েছে স্কটিশ দল।

সোহেলি আক্তারই ছিলেন ধস নামানোর মূল কারিগর। ম্যাচসেরাও তিনি। ৪ ওভারে এক মেডেন ও ৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। যা আবার সোহেলির ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এমনকি আগের ৬ ম্যাচেও উইকেট ছিল না কোনও!        

জবাবে বাংলাদেশ শামিমা সুলতানার উইকেট দ্রুত হারালেও অধিনায়ক নিগার সুলতানার ব্যাটে ভর করে জয় নিশ্চিত করেছে।

দ্রুত উইকেট পতনের পর মুর্শিদা খাতুনের সঙ্গে ৩৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। মুর্শিদা ১৫ রানে ফিরলে রুমানাকে নিয়েও নিগার সুলতানা যোগ করেন ২২ রান। ততক্ষণে অবশ্য জয়ের দৃষ্টি সীমানায় পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। ১১.৪ ওভারে ৭০ রানে রুমানার (১১) বিদায়ে পড়ে তৃতীয় উইকেট। ১২.৩ ওভারে নিগার সুলতানা ফিরলেও একই ওভারে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজরা। নিগার সুলতানা ৪৩ বলে ৩৪ রানে ফিরেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার।