যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের পেসার তানজিম হাসান সাকিব। বিশ্বকাপ খেলে এলেও করোনা এবং ইনজুরির কবলে পড়ে খেলার কক্ষপথ থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলেই বাজিমাত করেছেন তিনি।
বিকেএসপিতে ঢাকার মুখোমুখি হয়েছে সিলেট। সিলেটের জার্সিতে ফ্ল্যাট উইকেটে ফুল ফুটিয়েছেন জুনিয়র সাকিব। তার গতির কাছে পরাস্ত হয়েছেন ঢাকার ব্যাটাররা। ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট নিয়ে দলকে দারুণ এক ম্যাচ জিতিয়েছেন।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আগে ব্যাটিং করতে নেমে নাবিল সামাদের ঘূর্ণি জাদুতে ১২৮ রানে অলআউট হয় ঢাকা। রনি তালুকদারের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস। ঢাকাকে অল্প রানে বেঁধে ফেললেও পরে অমিত হাসানের ৬৩ রানে কোনওমতে ১৬৭ রান সংগ্রহ করে সিলেট।
৩৯ রানে পিছিয়ে থেকে ঢাকা দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। কিন্তু তাদের রানের চাকা থামিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন জুনিয়র সাকিব। ঢাকার অলরাউন্ডার শুভাগত হোম ভয়ঙ্কর হয়ে উঠার আগেই তাকে ৮৯ রানে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। ১৫২ বলে শুভাগত নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন। এই ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়ে ঢাকা ২৫৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় শেষ পর্যন্ত।
ঢাকাকে তিনশোর নিচে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা ছিল সাকিবের। ৫৩ রানে ৫ উইকেট নেওয়া সাকিবের এটি ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার। এছাড়া আগের ম্যাচে ৫ উইকেট শিকার করা নাবিল সামাদ নেন দুটি উইকেট। আবু জায়েদ রাহীর শিকারও দুটি।
২১৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ২৮ রানে ২ উইকেটের পতন হলেও জয় পেতে সমস্যা হয়নি সিলেটের। ইমতিয়াজ হোসেন ও জাকির আলী অনিকের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটের জয় পায় তারা। ১৫২ বলে ইমতিয়াজ ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন। অন্যদিকে জাকির আলী ৪৬ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন।