জয়ের পাশাপাশি রানরেটের চাপও আছে অস্ট্রেলিয়ার

টুর্নামেন্টের ফরম্যাটই এমন যে ৬ দলের গ্রুপ থেকে সেরা দুই দল সেমিফাইনালে যাবে। সেখানে গ্রুপ ওয়ানে নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড তিন ম্যাচ জিতে ওপরের দিকে রয়েছে। কিন্তু প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার জায়গা হয়েছে আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ডেরও পরে!

তুমুল লড়াইয়ের সম্ভাবনায় এই গ্রুপে রান রেটকে সবারই মাথায় রাখতে হচ্ছে। পয়েন্ট সমান হয়ে গেলে তখন রান রেট ভরসা। ওই জায়গায় প্রথম ম্যাচ বিশাল ব্যবধানে হেরে যাওয়া অজিদের রান রেট এখন -৪.৪৫। তাতে শুধু বাকি চার ম্যাচ জিতেও অজিরা হয়তো নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে না। নজর রাখতে হবে রান রেটের দিকেও। তাই মঙ্গলবার (ম্যাচ শুরু বিকাল ৫টায়) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর সঙ্গে রান রেটও বাড়তি চাপ যোগ করেছে অস্ট্রেলিয়ার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভের এই ম্যাচে স্বাগতিক দল যেমন বড় ব্যবধানে জিততে চাইবে। শ্রীলঙ্কাও জয়ের মানসিকতা ধরে রাখার সব চেষ্টা করবে। কাগজে কলমে হয়তো ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, মাহিশ থিকশানা ও ধনাঞ্জায়াদের নিয়ে গড়া স্পিন আক্রমণ অস্ট্রেলিয়ার চেয়েও সেরা। কিন্তু মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী পেস আক্রমণ তো আর তাদের নেই! অঘটন ঘটাতে হলে কিছু বিষয় মাথায় রেখেই লঙ্কানদের মাঠে নামতে হবে। এশিয়া কাপে দাশুন শানাকা ও ভানুকা রাজাপাকশে যেমনটা বিস্ফোরক মেজাজে খেলেছেন, আজকেও তেমন ঝলক দেখাতে হবে। আর লঙ্কান পেসারদের পারফর্ম করতে হবে প্রত্যাশার চেয়েও বাইরে!      

দুশ্চিন্তার জায়গা আছে অজিদেরও। ধারহীন বোলিংয়ের পাশাপাশি চাপের কাছে ব্যাটারদের নতি স্বীকার করতে দেখা গেছে। তাই লঙ্কান স্পিনারদের সামনে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে হাসারাঙ্গা ও থিকশানার বেলায়। দুজনেই ভালো ছন্দে আছেন। আইরিশদের বিপক্ষে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন ৪টি উইকেট। 

অজিদের জন্য সুখবর হচ্ছে বোলিংয়ের জন্য নিজেকে ফিট ঘোষণা করেছেন অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ। প্রয়োজনে বোলিং করতে প্রস্তুত তিনি, ‘বোলিং করার জন্য প্রস্তুত আমি। অলরাউন্ডার হিসেবে ম্যাচ জুড়ে প্রভাব রাখতে চাই।’

মার্শ আগস্ট থেকে বোলিং করেননি। এখন তিনি ফিট হওয়ায় ফিঞ্চকে বোলিং বিকল্প নিয়ে খুব বেশি ভাবতে হবে না। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে। এই সময়টায় প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৫ রান হজম করেছে তারা।