মালানের সেঞ্চুরির পরও পাত্তা পায়নি ইংল্যান্ড

টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার প্রথম ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষ আবার বিশ্বকাপের আয়োজক অস্ট্রেলিয়া। সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে রাজত্ব করলেও ওয়ানডেতে অবশ্য ধরাশায়ী হয়েছে ইংলিশ দল। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৬ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে।

অ্যাডিলেডে টস হেরে ব্যাট করতে নামা ইংলিশ দল ৬৬ রানের মাঝে ৪ উইকেট হারিয়েছিল। তার পর দলটা ঘুরে দাঁড়ায় ডেভিড মালানের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে। পরের ব্যাটাররা সেভাবে সহায়তা করতে না পারলেও মালানের দায়িত্বশীল ইনিংসেই স্কোরটা ৯ উইকেটে ২৮৭ রান পর্যন্ত গেছে। মালানের ১২৮ বলের ১৩৪ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ৪টি ছয়। দল হারলেও তিনি ম্যাচসেরা হয়েছেন।    

মালান যখন সাজঘরে ফেরেন ততক্ষণে ৪৫.২ ওভারে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৮ উইকেটে ২৫৯। তার পর অবশ্য ডেভিড উইলি ৪০ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে শেষটা সামাল দিয়েছেন। অজিদের হয়ে ৬২ রানে ৩ উইকেট নেন প্যাট কামিন্স। ৫৫ রানে অ্যাডাম জাম্পা নিয়েছেন ৩টি।  

জবাবে অজিদের জয়ের মূলটা ভিত গড়েছেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেড। তাদের আগ্রাসী জুটিতেই ১৯.৪ ওভারে ১৪৭ রান জমা হয়েছে। পার্টনারশিপ শতরান ছুঁয়েছে মাত্র ৮৮ বলে।

ট্রাভিস হেড ব্যক্তিগত ৬৯ রানে ফিরেছেন। তার ৫৭ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ১টি ছয়। ওয়ার্নার অবশ্য একটা পর্যায়ে সেঞ্চুরির কাছেই ছিলেন। দলীয় ২০০ রানে আউট করে তাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন উইলি। তাতে ৮৬ রানে থেমেছেন অজি ওপেনার। ওয়ার্নারের ৮৪ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ১টি ছয়। পোক্ত জুটি ভাঙলে তার পর ইনিংসের দায়িত্ব সামলেছেন স্টিভেন স্মিথ। ৭৮ বলে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৮০ রানের ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ১টি ছয়ের মার।  

এসময় মার্নাস ল্যাবুশেন ৪ রানে ফিরলে অ্যালেক্স ক্যারি কিছু দূর পর্যন্ত স্মিথকে সহায়তা করেছেন। ক্যারি ২১ রানে আউট হলে স্মিথের অপরাজিত সঙ্গী হন ক্যামেরন গ্রিন। স্মিথ-গ্রিনের ৪৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেই পরে ৪৬.৫ ওভারে ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। গ্রিন ২৮ বলে অপরাজিত থেকেছেন ২০ রানে। 

ইংল্যান্ডের হয়ে ৫১ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন উইলি। একটি করে নেন ক্রিস জর্ডান ও লিয়াম ডসন।