ছেলেরা মুষড়ে পড়েছিল, তাদের কিভাবে এই ম্যাচে মনোযোগী করেছেন এমন প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেন, ‘ওদের সঙ্গে অনেক মজা করা হয়েছে। অনেক কিছু বোঝানো হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ম্যাসেজ ছিল, এটা হবে সেমিফাইনাল ম্যাচের প্রতিশোধ। একটা চ্যালেঞ্জ ছেলেদের দেওয়া হয়েছিল যেন আমরা হাসিমুখে ঘরে ফিরে যেতে পারি। এই দেড় বছরে আমরা অনেক দিয়েছি কিন্তু এই শেষ ম্যাচে যদি আমরা হাসতে না পারি..। আর সেমিফাইনালে আমরা যে কষ্টটা সবাইকে দিয়েছি আজ (শনিবার) যদি আমরা জিততে পারি তাহলে সবাই আনন্দ পাবে। এখান থেকেই ছেলেরা অনেক মোটিভেটেড হয়েছে এবং আজ চেষ্টা করেছে।’
যুব দলের মধ্যে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে। কাদেরকে আপনার সবচেয়ে বেশি প্রতিভাবান বলে মনে হয়; এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সবাই প্রতিভাবান। কারও মধ্যে কম, আর কারও মধ্যে বেশি। তবে প্রতিভাবানদের মধ্যে আমি এগিয়ে রাখতে চাই মিরাজ, শান্ত, জাকির, সাইফুদ্দিন, রানাকে। আমি মনে করি, এরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খেলোয়াড়। এরা এক সময় খেলবে এবং আমাদের সিনিয়র টিমের হয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। তাদের সেই ট্যালেন্ট আছে। বাকিরাও ট্যালেন্টেড, হয়তো একটু বেশি সময় লাগতে পারে। পিনাক, সাইফ এরাও অনেক ট্যালেন্টেড খেলোয়াড়। তারা দেড় বছর ধরে অনেক পারফর্ম করেছে। হয়তো এই টুর্নামেন্টে এসে সাইফ, পিনাক ক্লিক করেনি। সব খেলোয়াড়েরই উত্থান-পতন থাকে।
/আরআই/এফআইআর/