প্রতারণার শিকার হয়েছে আইসিসি। তাও আবার অনলাইনের মাধ্যমে। ক্রিকবাজের খবরে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকবার প্রতারণার মাধ্যমে ২.৫ মিলিয়ন ডলার তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি টাকার মতো হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুবাই অফিস এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি যদিও। তবে ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা গেছে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি সোর্স থেকে ফিশিংয়ের মাধ্যমে এই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে।
আইসিসির কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগ করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনও তথ্যই তারা সরবরাহ করছে না। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে আইসিসির অর্থ বিভাগ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে।
একটি পূর্ণ সদস্য দেশের জন্য ২৬ কোটি টাকা মোটেও আহামরি কোনও অর্থ নয়। তবে যে পরিমাণ অর্থ খোয়া গেছে, সেটা আইসিসি থেকে অ্যাসোসিয়েট মেম্বারের প্রাপ্ত বার্ষিক অর্থের চার গুণ! তবে অ্যাসোসিয়েট বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়ানডে স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত সহকারী সদস্য দেশ; যার র্যাঙ্ক ১৩ থেকে ২০তম। তারা সাধারণত ৫ লাখ থেকে দশ লাখ ডলারের মতো পেয়ে থাকে।