টি-টোয়েন্টিতে উইকেটের ‘সেঞ্চুরি’ মোস্তাফিজের

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ১০০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন মোস্তাফিজুর রহমান। মঙ্গলবার ৯৯ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন কাটার মাস্টার। এদিন ডেভিড মালানকে ফিরিয়ে মোস্তাফিজ টি-টোয়েন্টিতে শততম উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছান।

২০১৫ সালে অভিষেকের পর থেকে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা মোস্তাফিজ গত কিছুদিন ধরে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্সের পর অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে দারুণ পারফরম্যান্স করছেন বাঁহাতি এই পেসার। মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের ইনিংসের অষ্টম ওভারে মোস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারে উইকেট শূন্য থাকলেও মাত্র ৪ রান দিয়ে ভালো বোলিং করেছেন তিনি।

পরে দশম ওভারে মাত্র ৩ রান দেন। তিন ওভার বিরতি দিয়ে ১৪তম ওভারে ফের বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজ। অফস্টাম্পের বাইরে পিচ করা বলটি কিছুটা অতিরিক্ত বাউন্স পায়, আর তাতেই পরাস্ত হন ইংলিশ ব্যাটার মালান। বাঁহাতি পেসারের ডেলিভারিতে মালানের ব্যাটে আলতো চুমু খেয়ে চলে যায় উইকেট কিপার লিটনের গ্লাভসে। আর তাতেই বিশ্বের ৬ষ্ঠ বোলার এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি শততম উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।

সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকার করেছিলেন রশিদ খান। ৫৩তম ম্যাচে এসে আফগান লেগ স্পিনার এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারের লাগলো ৮১ ম্যাচ। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে অবশ্য দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকার করেছেন মোস্তাফিজ। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ১০০ উইকেট শিকার করতে খেলতে হয়েছিল ৮৪ ম্যাচ। 

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সবচেয়ে বেশি ১৩৪ উইকেট নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদির। ১০৭ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সাকিব আল হাসান। ১১২ ম্যাচে সাকিব নেন ১৩০ উইকেট। সাউদিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠতে বাঁহাতি এই স্পিনারের প্রয়োজন ৫ উইকেট। রশিদ খান ৭৭ ম্যাচে ১২৬ উইকেট নিয়ে আছেন তিন নম্বরে। ১১৪ উইকেট নিয়ে চার নম্বরে ইশ সোধি। লঙ্কান সাবেক ক্রিকেটার লাসিথ মালিঙ্গা ১০৭ উইকেট নিয়ে আছেন পাঁচ নম্বরে। ছয় নম্বরে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজ।