৪ উইকেট নিলেন চামিকা করুণারত্নে। ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডকে ২৭৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে আলোচনায় তিনি। কিন্তু তাকে ছাপিয়ে গেলেন হেনরি শিপলি। চতুর্থ ওয়ানডেতেই পাঁচ উইকেট নিলেন এই পেসার, ৮০ রানও হলো না শ্রীলঙ্কার।
জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথমবার দেশের মাটিতে খেলতে নামেন শিপলি। প্রথম সাত ব্যাটারের মধ্যে পাঁচজনই তার শিকার। ৭ ওভার বল করে ৩১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন এই ডানহাতি পেসার। দুটি করে উইকেট নেন ব্লেয়ার টিকনার ও ড্যারিল মিচেল।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে মাত্র তিন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন, যার মধ্যে দুজন বোলার। সর্বোচ্চ ১৮ রান আসে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ব্যাটে। চামিকা ১১ ও লাহিরু কুমারা ১০ রান করেন।
দশম ওভারেই ৩১ রানে ৫ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তারপর অসহায় আত্মসমর্পণ। কেনিয়ার পর তারা প্রথমবার ওয়ানডেতে টানা দুই ম্যাচে একশর আগেই অলআউট হলো। আগের ওয়ানডেতে তারা ভারতের কাছে ৭৩ রানে অলআউট হয়, এবার তিনটি বেশি রান করেছে তারা।
অকল্যান্ডে ৭৬ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এটি তাদের সর্বনিম্ন স্কোর, আর সব মিলিয়ে পঞ্চম। এনিয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে ১৩তম বার একশর আগেই অলআউট লঙ্কানরা।
১৯৮ রানের বিশাল জয়ে নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন ফিন অ্যালেন। চ্যাড বাওয়েসের সঙ্গে ৩৬ ও উইল ইয়াংয়ের সঙ্গে ৩৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৩৭ রানের।
মিচেল (৪৭) মাত্র ৩ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি পাননি। ১৫২ রানে ৫ উইকেট হারানো নিউ জিল্যান্ড ঘুরে দাঁড়ায় গ্লেন ফিলিপস ও রাচিন রবীন্দ্রর জুটিতে। তারা ৬৬ রান যোগ করেন। ফিলিপস ৩৯ রানে আউট হন। রবীন্দ্র এক রানের আক্ষেপে পোড়েন। দলকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৫২ বলে ৪৯ রান করেন রাচিন।