দ্বিতীয় দিন ‘ডমিনেট’ করলো বাংলাদেশ

একমাত্র টেস্টের সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন): আয়ারল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭ ওভারে ২৭/৪ ( হ্যারি টেক্টর ৮*, পিটার মুর ১০*; কার্টিস ক্যাম্ফার ১, অ্যান্ডি বালবির্নি ৩, জেমস ম্যাককলাম ০, মারে কমিন্স ১)। 

বাংলাদেশ- প্রথম ইনিংসে ৮০.৩ ওভারে ৩৬৯/১০ (মুশফিকুর রহিম ১২৬, সাকিব আল হাসান ৮৭, মেহেদী ৫৫, লিটন দাস ৪৩, তামিম ইকবাল ২১, মুমিনুল হক ১৭, তাইজুল ৪, শরিফুল ৪, এবাদত ০, নাজমুল হোসেন শান্ত ০)। 

আয়ারল্যান্ড- প্রথম ইনিংসে ৭৭.২ ওভারে ২১৪/১০ (হ্যারি টেক্টর ৫০, কার্টিস ক্যাম্ফার ৩৪, মার্ক অ্যাডায়ার ৩২, ম্যাকব্রাইন ১৯, অ্যান্ডি বালবির্নি ১৬, জেমস ম্যাককলাম ৭,  মারে কমিন্স ৫, পিটার মুর ১; তাইজুল ৫/৫৮)।

আগের দিন দুই ওপেনারকে হারিয়ে যে শঙ্কার মেঘ উঁকি দিয়েছিল, তা কেটে যায় দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের ইনিংসে। দিনের শুরুতে মুমিনুল হক (১৭) বিদায় নিলে তাদের দেড়শ ছাড়ানো জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।

ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি হাঁকানো মুশফিক দলীয় স্কোর তিনশ পার করে থামেন। ১৬৬ বলে ১২৬ রান করেন তিনি। তার আগে সাকিবের ৮৭ ও লিটন দাসের ৪৩ রানের ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ে স্বাগতিকরা। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৫৫ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ।

এরপর আয়ারল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে শুরু থেকে সাকিব ও তাইজুল প্রান্ত অদলবদল করে বল করেন। তাতে ব্যাটিংয়ে দুর্দশার চিত্র ফুটে ওঠে। দুজনে দুটি করে উইকেট নেন, আইরিশ চার ব্যাটার ফিরে যায় ১৩ রানের মধ্যে। হ্যারি টেক্টর ও পিটার মুরের ১৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে লড়াইয়ের চেষ্টা চালাচ্ছে সফরকারীরা। তারা দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ২৭ রানে। বাংলাদেশ ১২৮ রানে এগিয়ে। এক কথায় এদিন বাংলাদেশ পুরোটা সময় ‘ডমিনেট’ করেছে, যেমন প্রত্যাশা করেছিলেন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

সাকিব-তাইজুলের আঘাতে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং বিপর্যয়

প্রথম ইনিংসের দুর্বল প্রতিরোধের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আইরিশ ব্যাটাররা হুমকি হতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া তাইজুল এই ইনিংসেও তাদের সর্বনাশ ডেকে এনেছেন। সাকিবের শুরুর আঘাতের পর ৩.৪ ওভারে লেগ বিফোরে কমিন্সকে বিদায় দিয়েছেন ১ রানে। এক ওভার বিরতি দিয়ে তাইজুল বোল্ড করেছেন আইরিশ অধিনায়ক বালবির্নিকেও। তাতে ৮ রানে পড়েছে ৩ উইকেট! পরের ওভারে সাকিবও দারুণ এক ডেলিভারিতে কার্টিস ক্যাম্ফারকে গ্লাভসবন্দি করালে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় আইরিশ দল। 

প্রথম ওভারেই সাকিবের আঘাত

১৫৫ রানের লিড পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই আয়ারল্যান্ডকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ বলে সাকিব এলবিডাব্লিউতে বিদায় দিয়েছেন জেমস ম্যাককলামকে (০)। শুরুতে অবশ্য আম্পায়ার আলিম দার তাতে সাড়া দেননি। বাংলাদেশ রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত বদলেছে। অথচ প্রথম ইনিংসে ৬৫ ওভার পর্যন্ত বোলিংই করেননি তিনি। এবার শুরুতেই স্পিন দিয়ে আক্রমণ সাজিয়েছেন। 

৩৬৯ রানে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

৩৩১ রানে মুশফিক ফিরলেও দলের লিড বাড়িয়ে নিতে শেষ দিকে একাই লড়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি। ৮০.৩তম ওভারে তার আউটেই শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। হোয়াইটের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গেলে স্টাম্পড হয়েছেন মিরাজ। তাতে ১৫৫ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংস থামে ৩৬৯ রানে। 

পুরোটা দিন কর্তৃত্ব করতে মূল অবদান ছিল সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম জুটির। সাকিব সেঞ্চুরি মিস করলেও সেঞ্চুরি পেয়েছেন মুশফিক। সাকিব ৮৭ রানে ফিরেছেন। মুশফিক ফেরার আগে করেছেন ১২৬ রান। তাছাড়া দলের স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে লিটনের ৪৩, মিরাজের ৫৫ রানের ইনিংসও ভূমিকা রাখে। 

১১৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন। ৬৪ ও ৭১ রানে যথাক্রমে দুটি করে নিয়েছেন মার্ক অ্যাডায়ার ও বেন হোয়াইট। 

শেষের লড়াইয়ে মিরাজের ফিফটি

মুশফিকের বিদায়ের পর প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়লেও শেষ দিকে লিড বাড়িয়ে নিতে লড়ে যাচ্ছেন মিরাজ। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি। অফস্পিনিং অলরাউন্ডার ফিফটি পেয়েছেন ৬৬ বলে।  

শরিফুল-এবাদতকে ফিরিয়ে ম্যাকব্রাইনের ৬ উইকেট

প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়ায় শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেনও মিরাজকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ৪ রান করা শরিফুলকে বিদায় দিয়েছেন ম্যাকব্রাইন। তাকে ফিরিয়ে এই অফস্পিনার ৫ উইকেট পূরণ করেছেন। তার পর এবাদতকে গ্লাভসবন্দি করিয়ে ম্যাকব্রাইন তুলে নেন ষষ্ঠ উইকেট।   

তাইজুলের বিদায়ে পড়লো সপ্তম উইকেট

মুশফিকের ফেরার পরই প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে যায় বাংলাদেশের। মিরাজ একপ্রান্তে থাকলেও লেজের দিকে থাকা তাইজুল প্রতিরোধই গড়তে পারেননি। ৪ রানে ম্যাকব্রাইনের বলে বোল্ড হয়েছেন। 

ছক্কা মারতে গিয়ে আউট মুশফিক

সকালে প্রাথমিক ধাক্কার পর সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন মুশফিক। টানা দুই সেশন তার কাছে পাত্তাই পায়নি আয়ারল্যান্ড। ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পাওয়া মুশফিক তৃতীয় সেশনে ফিরেছেন আগ্রাসী হওয়ার তাড়নায়। ৬৭.২ ওভারে ম্যাকব্রাইনের বলে ছাক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হয়েছেন ১২৬ রানে। তার ১৬৬ বলের দৃষ্টিনন্দন ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১টি ছয়।   

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে আলো ঝলমলে সেশন

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম সেশনে উইকেট পড়েছিল একটি। তার পরই বাংলাদেশকে চালকের আসনে বসিয়েছে সাকিব-মুশফিকের ১৫৯ রানের জুটি। দ্বিতীয় সেশনে সাকিব (৮৭) অল্পের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হতে দেননি মুশফিক। সাকিবের আউটের পর তার ব্যাটেই বাংলাদেশ লিড নিয়েছে। লিড বাড়িয়ে নিতে পরে মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়েছেন লিটন দাসও। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে দ্রুত রান তুলেছেন লিটন। তাছাড়া মুশফিক এই সেশনে হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতেও রূপ দিয়েছেন। লিটনের বিদায়ে চায়ের বিরতিতে যাওয়ার আগে ভেঙেছে ৮৭ রানের জুটি। মুশফিক অবশ্য দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে লিড বাড়িয়ে নিচ্ছেন। চায়ের বিরতিতে যাওয়ার আগে মেহেদীকে সঙ্গে নিয়ে লিড শতরান ছাড়াতে অবদান রেখেছেন তিনি।

এই সেশনে দুই উইকেট পড়েছে। ২৭ ওভারে যোগ হয়েছে ১৩৬ রান।দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ৩১৬। লিড ১০২। 

লিটনের বিদায়ে ভাঙলো ৮৭ রানের জুটি

সাকিবের পর ওয়ানডে স্টাইলে খেলতে থাকেন লিটন দাসও। মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত রান যোগ করতে থাকেন তারা। ৮৭ রানের দুর্দান্ত জুটি ভেঙেছে লিটন দাসের বিদায়ে। ৫৭.৫ ওভারে বেন হোয়াইটের বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছেন। ফেরার আগে লিটন ৪১ বলে ৮ চারে করেছেন ৪৩। এক বল আগে অবশ্য রান আউট হওয়া থেকে বেঁচে যান তিনি।    

মুশফিকের দশম সেঞ্চুরি

সাকিব ব্যর্থ হলেও হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন মুশফিক। ৫৪.৩ ওভারে চার মেরে ১৩৫ বলে ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। পাশাপাশি লিটনকে সঙ্গে নিয়েও জুটি গড়ছেন তিনি।   

লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

আগের ওভারে সাকিবের বিদায়ে দারুণ জুটি ভাঙলেও ৪৫ ওভারে লিড নেয় স্বাগতিক দল। নতুন নামা লিটন তিনটি চার মেরে দ্রুত গতিতে রান যোগ করেছেন। তাতে এই ওভারেই স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২১৮।   

দ্রুত গতিতে রান তুলছিলেন সাকিব।৮৭ রানে থেমেছেন সাকিব

লাঞ্চ বিরতির পরও চলছিল সাকিব-মুশফিকের আগ্রাসন। রেকর্ড গড়া জুটিতে সাকিব সেঞ্চুরির কাছাকাছি ছিলেন। কিন্তু ৮৭ রানে মনোযোগ হারিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। ম্যাকব্রাইনের অফস্টাম্পের বাইরের বলে সুইপ করতে গিয়েছিলেন। বল বাড়তি বাউন্স খেয়ে ব্যাটের কোনায় লেগে জমা পড়ে কিপার লরকান টাকারের গ্লাভসে। তাতে ৯৪ বলে ৮৭ রানে শেষ হয়েছে সাকিবের অসাধারণ ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ১৪টি চার। অধিনায়কের বিদায়ে ভেঙেছে ১৫৯ রানের জুটি।  

সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে প্রথম সেশন বাংলাদেশের

আগের দিন ৩৪ রানে দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশের দ্বিতীয় দিনের শুরুটাও ছিল শঙ্কার। তৃতীয় ওভারে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল হক। ৪০ রানে ৩ উইকেট পড়ায় চাপ তৈরি হলেও বাংলাদেশ একমাত্র টেস্টে ঘুরে দাঁড়ায় সাকিব-মুশফিকের অপ্রতিরোধ্য ব্যাটিংয়ে। আইরিশ বোলারদের ওপর ওয়ানডে স্টাইলে চড়াও হয়ে প্রথম সেশনেই ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন তারা। মধ্যাহ্ন ভোজের আগে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এই সেশনে ১৩০ রান যোগ করেছেন। সার্বিকভাবে ২৭ ওভার খেলা হয়েছে। বাংলাদেশ এক উইকেট হারিয়ে যোগ করেছে ১৩৬ রান। সাকিব ছিলেন সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক। তুলনায় মুশফিকুর রহিম ধীরস্থির। তাদের ব্যাটে এই সেশনে ওভার প্রতি ৫ করে রান উঠেছে। প্রথম সেশনে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১৭০।       

শত রানের জুটিতে হাবিবুল-বেলিমের পাশে সাকিব-মুশফিক

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শত রান স্পর্শ করে সাকিব-মুশফিকের জুটি। যা টেস্টে দুজনের পঞ্চম শততম রানের পার্টনারশিপ। তাতে হাবিবুল বাশার সুমন ও জাভেদ ওমর বেলিমের পাশে বসেছেন তারা। এতদিন সর্বোচ্চ ৫টি সেঞ্চুরি জুটি নিয়ে শীর্ষে ছিলেন হাবিবুল-বেলিম। সাকিব-মুশফিক এবার তাদের ছুঁয়েছেন।  

ফিফটির দেখা পেয়েছেন মুশফিক।সাকিবের পর মুশফিকের ফিফটি

সাকিব দ্রুত গতিতে খেলে ফিফটি পেলেও জুটি গড়ার পথে ধীর গতিতে খেলেছেন মুশফিক। সাকিব যেখানে ৪৫ বলে ফিফটির দেখা পেয়েছেন, মুশফিক ২৬তম ফিফটি পেয়েছেন ৬৯ বলে। তাতে এই জুটিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।   

সাকিবের হাফসেঞ্চুরি

শুরুতে উইকেট হারানোর চাপ দারুণভাবে সামাল দিয়েছেন সাকিব-মুশফিক। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে ৫০ রানের জুটি গড়তে খেলেছেন ৫৪ বল। তুলনায় সাকিব ছিলেন বেশি আক্রমণাত্মক। ৪৫ বলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ৩১তম হাফসেঞ্চুরিও। তাদের জুটিতেই ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক দল।    

দিনের তৃতীয় ওভারেই ফিরেছেন মুমিনুল

তাইজুলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আয়ারল্যান্ডকে প্রথম ইনিংস বেশি বড় করতে দেয়নি বাংলাদেশ। সফরকারী দল একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন ২১৪ রানে থেমেছে। তার পর ব্যাট হাতে দিনের শেষটা পুরোপুরি স্বস্তি নিয়ে শেষ করতে পারেনি স্বাগতিক দল। দ্রুত দুই ওপেনারকে হারিয়েছে। মাত্র ২ রানে প্রথম উইকেট পড়েছে বাংলাদেশের। নাজমুল হোসেন শান্ত গোল্ডেন ডাকে ফিরেছেন। মুমিনুল হককে নিয়ে তামিম ইকবাল দিন শেষ করে আসতে পারতেন। কিন্তু বাঁহাতি ওপেনার শেষ বলে আউট হওয়ায় অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। তাতে ভেঙেছে ৩২ রানের জুটি। তামিম ২১ রানে আউট হয়েছেন।

গতকাল ১২ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন মুমিনুল। দেখার ছিল প্রথম দিন ৩৪ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন শুরুটা কেমন করে। দেখা গেলো তিন ওভারও স্থায়ী হয়নি মুমিনুলের প্রতিরোধ। ১২.৪ ওভারে মার্ক অ্যাডায়ারের লেগ স্টাম্প বরাবর করা ফুলার লেংথের ডেলিভারি একটু সরে খেলতে গিয়েছিলেন। ফলাফল উপড়ে যায় মুমিনুলের লেগ স্টাম্প!  ফেরার আগে ৩৪ বলে ১৭ রান করেছেন তিনি।