২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই জিতেছিল বাংলাদেশ। পরেরটি জিততেও খুব বেশিদিন সময় নেয়নি তারা। ২০১৪ সালে দ্বিতীয়বার জেতার পর টানা ৭ টি-টোয়েন্টিতে হার। অবশেষে মঙ্গলবার সেই খরা কেটেছে। অধিনায়ক নিগার সুলতানার অনিন্দ্য সুন্দর ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ভেঙেছে হারের বৃত্ত। অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংস খেলার পর তিনি জানিয়েছেন, পরের ম্যাচেও এমন পারফরম্যান্স অব্যাহত রাখতে চান।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ১-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। দুটি ম্যাচ অবশ্য বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। তবে ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। স্বাগতিক লঙ্কানদের ৬ উইকেটে হারানোর পর বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় অধিনায়ক নিগার বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো লাগছে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জেতাতে পেরে এবং অবশ্যই আমি এখানে অবদান রাখতে পেরেছি। আমি আমার দল নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী, চেষ্টা করবো পরের ম্যাচেও এমন ভালো ক্রিকেট খেলতে।’
১৪৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা বাংলাদেশের শুরুটা বরাবরের ছিল ধীরগতির। পাওয়ার প্লেতেই ৩৮ রানে পড়েছে ২ উইকেট। ৪ নম্বরে নেমে তারপর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন নিগার। অবস্থা এমন ছিল ইনিংসের মাঝপথে তখনও প্রয়োজন ৮৩ রান! ১৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১২১। তখনও জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৫ রান। ঠাণ্ডা মাথায় খেলে রিতু ও নিগার দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।
কোচদের পরিকল্পনা মেনেই সাফল্য পেয়েছেন বলে জানালেন নিগার, ‘আমাদের যেভাবে প্রসেসটা থাকে, কোচরা আমাদের যেভাবে পরিকল্পনা দিচ্ছিলেন, আমরা ওই পরিকল্পনায় এগোচ্ছিলাম। যদিও আমরা দ্রুত উইকেট হারানোর পর দেখা যাচ্ছিল যে আমি চেষ্টা করেছি যেন পাওয়ার প্লের কিছু রান আমি সংগ্রহ করতে পারি এবং পরবর্তীতে আমার আর রিতুর ভেতর এটাই ছিল যে আমরা যেন প্রতি ওভার ৭/৮ করে রান নিই। যাতে করে ১৫ ওভার খেলার পর আমরা গতি বাড়াতে পারি।’
এই জয় সামনের ম্যাচে দলকে অনুপ্রেরণা দেবে বলে মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক, ‘দল আসলে ভালো আকারে আছে। কারণ জেতার যে বিষয়টা, ওটা পুরো দলকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করছে।’