বৃষ্টির আভাস ছিল আগে থেকেই। বাংলাদেশ পুরো ইনিংস খেলতে পারলেও আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে নামার পর থেকে মেঘ জড়ো হতে থাকলো। ১৭তম ওভারে নেমে গেলো বৃষ্টি। ড্রেসিংরুমে দুই দল।
প্রায় একঘণ্টা হয়ে গেলো বৃষ্টি কমার কোনও লক্ষণ নেই। ভারী বর্ষণের আগে ১৬.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৬৫ রান করেছে আয়ারল্যান্ড। এখনও তাদের দরকার ৩৩.৩ ওভারে ১৮২ রান। আর যদি বল মাঠে না গড়ায়, তাহলে ফল কী হবে?
বৃষ্টি অনেকক্ষণ ধরে হলে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে সাধারণত ফল বের করার নিয়ম। সেক্ষেত্রে খেলা দেরিতে শুরু হলে ওভার কমবে এবং নতুন লক্ষ্য দাঁড়াবে আইরিশদের সামনে।
কিন্তু বৃষ্টি না থামলে আর খেলা হবে না। তখন কিন্তু ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি বিবেচনায় নেওয়া যাবে না। কারণ আইন অনুযায়ী অন্তত ২০ ওভার খেলা সম্পন্ন হলেই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে। যেহেতু আইরিশদের ইনিংস ২০ ওভার পর্যন্ত যায়নি, তাই ম্যাচের ফলাফল বের করা যাবে না। ম্যাচটি ফলশূন্য হবে।
কোনও কিছু না হারানোর ম্যাচে আগেভাগেই স্পিনারদের না এনে হয়তো ভুলই করেছেন তামিম ইকবাল। তাহলে হয়তো ২০ ওভার খেলা বৃষ্টি নামার আগেই সম্পন্ন হয়ে যেতো! বাংলাদেশি বোলাররা যেভাবে বল করছিল, তাতে জিতে যাওয়ার ভালো সম্ভাবনা ছিল।
এদিন চেমসফোর্ডে আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিমের হাফ সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেটে ২৪৬ রান করে।