মানকাড-পুরান ঝড়ে চারে লখনউ

১৮২ রান করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিকাংশ সময় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রেখেছিল। শেষ সাত ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের লাগতো ৯৪ রান। কিন্তু ১৪তম ওভার থেকে মার্কাস স্টয়নিস, প্রেরাক মানকাড ও নিকোলাস পুরান ম্যাচের গতি পাল্টে দেন। চার বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের দারুণ জয়ে লখনউ আদায় করলো গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট। তিন ম্যাচ পর জয়ে ফিরে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে গেলো তারা।

পুরান ১৩ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। মানকাড ৪৫ বলে ইনিংস সেরা ৬৪ রানে খেলছিলেন। স্টয়নিসের ২৫ বলে ৪০ রানের ইনিংস রাখে উপযুক্ত অবদান। ১৯.২ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৫ রান করে লখনউ। ওপেনার কুইন্টন ডি কক ২৯ রান করেন ১৯ বল খেলে। 

৫৪ রানে ২ উইকেট হারানোর পর স্টয়নিস ও মানকাড ৭৩ রানের জুটি গড়েন। স্টয়নিস লক্ষ্য থেকে ৫৬ রান দূরে থাকতে আউট হন। পুরান নেমেই ঝড় তোলেন। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার আউট হন দুটি ছক্কা মারার পর, একই ওভারে পুরান তিন ছক্কা হাঁকান। ১৬তম ওভারে অভিষেক পাঁচ ছয় দিলে ম্যাচ ঘুরে যায় লখনউর দিকে। 

পুরান ও মানকাড পরে ৫৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জেতান। পুরানের ইনিংসে ছিল ৩ চার ও ৪ ছয়। মানকাড ৭ চার ও ২ ছয় মারেন। 

এর আগে হায়দরাবাদ চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে হেনরিখ ক্লাসেনের ২৯ বলে ৪৭ রানের ইনিংসে। আব্দুল সামাদ রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ৩৭ রান করেন তিনি। তৃতীয় সেরা ৩৬ রান করেন ওপেনার আনমলপ্রীত সিং। বড় স্কোরের পথে ৬ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ।

এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে লখনউ। এক ম্যাচ কম খেলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে নবম হায়দরাবাদ।