স্লো ওভার রেটের দায়ে শেষ ওভারে একজন কম চার ফিল্ডারকে বৃত্তের বাইরে রাখতে হয়েছিল। আগের ওভারে ঝড় তুলে ১৯ রান করা টিম ডেভিড ছিলেন ক্রিজে। তাই ১১ রান আটকানোর চ্যালেঞ্জটা খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের জন্য। শেষ পর্যন্ত মহসিন খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫ রানের বেশি নিতে পারেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। শেষ ওভারের রোমাঞ্চে ৫ রানে জিতলো লখনউ।
১৭৮ রানের লক্ষ্যে দারুণ শুরু করেছিল মুম্বাই। ইশান কিষাণ ও রোহিত শর্মার ৯০ রানের উদ্বোধনী জুটি। কিন্তু রোহিত (৩৭) ফিরে যাওয়ার পর মোমেন্টাম চলে যায় লখনউর দিকে। মুম্বাইয়ের অধিনায়ককে ফেরানোর পর পরের ওভারে ইশানকেও ইনিংস সেরা ৫৯ রানে থামান রবি বিষ্ণয়।
সূর্যকুমার যাদব (৭) ও নেহাল ওয়াধেরা (১৬) হাল ধরতে পারেননি। ডেথ ওভারে দারুণ বোলিং করে লখনউ। শেষ দিকে ডেভিড ১৯তম ওভারে ঝড় তুলে উত্তেজনা ফেরান। কিন্তু শেষ ওভারে সেই তেজ ছিল না। ১৯ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন ডেভিড। তাতে ৫ উইকেটে ১৭২ রানে থামে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এর আগে ঘরের মাঠে ব্যাটিংয়ে নেমে লখনউ জেসন বেহরেনডর্ফের জোড়া আঘাতে বড় ধাক্কা খায়। পাওয়ার প্লের পর প্রথম বলেই তাদের স্কোর ৩ উইকেটে ৩৫ রান। ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া ও মার্কাস স্টয়নিস। ৪২ বলে ৪০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ক্রুনাল। তবে স্টয়নিস ৪৭ বলে ৪ চার ও ৮ ছয়ে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন। লখনউ ৩ উইকেটে করে ১৭৭ রান।
এই জয়ে ১৩ ম্যাচ শেষে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে মুম্বাইকে (১৪) এক ধাপ নামিয়ে আইপিএলের টেবিলে তিনে উঠে গেলো লখনউ।