আগামী ২০ জুলাই কানাডায় শুরু হবে গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগ। চলবে ৬ আগস্ট পর্যন্ত। এই লিগে খেলবেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস। সেখানে খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) চেয়েছিলেন দুই ক্রিকেটার। সোমবার তাদের ছাড়পত্র দিয়েছে বিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।
সাকিব ও লিটনকে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার বিষয়ে জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘সাকিব এনওসি নিয়েছে কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য। সে নিয়েছে ২০ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত। লিটনও নিয়েছে। সেও একই সময়ের জন্য পেয়েছে। বোর্ড থেকে তাদেরকে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়েছে। আগস্টের ২০ তারিখের মধ্যে তারা ঢাকায় থাকবে। আবার টিমের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে। আরও ১০ দিন থাকবে। এখানে কোনও সমস্যা নেই। তারা খেলবে।’
সাকিব শুধু গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগই খেলবেন না। শ্রীলঙ্কায় লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগেও (এলপিএল) খেলবেন। এ বিষয়ে জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘লিটন হয়তো আগে চলে আসবে। সাকিব যেটা বলছে, এলপিএল খেলতে যাবে। আশা করছি, এলপিএল থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে চলে আসবে। হয়তো তার আগেও চলে আসতে পারে। যদি আমরা মনে করি, তাহলে আগেই চলে আসবে। এইভাবে ক্লিয়ারেন্স নিয়েছে।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সীমিত ওভারের ক্রিকেট সিরিজ শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা নেই বাংলাদেশের। এই কারণেই সাকিব-লিটন অনাপত্তিপত্র পেয়েছেন, ‘যখন যাবে, তখন তো কোনও জাতীয় দলের খেলা নেই। হেড কোচ, টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়েছে। এই সময়টাই খেলতে পারলে যে ফরম্যাটেই খেলা হোক খেলুক। আমরা চাই, বিশ্বকাপের আগে যত বেশি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ তারা খেলতে পারে। এখানে আইপিএলে কী করেছে না করেছে সেটা কোনো বিষয় না। খেলার সুযোগ এসেছে আমরা দিয়েছি। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ হয়েছে খেলুক।’
ব্যস্ত সূচির কারণে ক্রিকেটারদের ইনজুরি নিয়ে সচেতন থাকতে হচ্ছে। গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে খেলাটা বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারের জন্য ঝুঁকির কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, ‘ইনজুরিতে তাদের কোনও সমস্যা নাই। ফাস্ট বোলারদের ইনজুরি দেখা যায় বেশি। এবং লিটন ও সাকিবকে দেখা যাচ্ছে, ওই রকম ইনজুরিপ্রবণ না। হয়তো দেখা যায়, খেলতে খেলতে ব্যথা পেয়েছিল আঙুলে, সেটা ভিন্ন। যেহেতু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট, শর্টার ফরম্যাট সে জন্য আমরা অনুমোদন দিয়েছি।’