অ্যাশেজ

লায়নের চোট মনে করিয়ে দিচ্ছে ম্যাকগ্রা আর বার্মিংহাম টেস্টের কথা

২০০৫ সালের অ্যাশেজের সঙ্গে অনেকেই মিল খুঁজে পাচ্ছেন এবারের অ্যাশেজের। দ্বিতীয় টেস্টে নাথান লায়নের চোট যেন সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজের কথা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে। সেবার দ্বিতীয় টেস্টের আগে গোড়ালির চোটে ছিটকে গিয়েছিলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। পরে ওই টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছিল ইংল্যান্ড। এবার লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে চোট পেয়ে সংশয়ে পড়ে গেছেন অফস্পিনার নাথান লায়ন।

৩৭তম ওভারে ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে পাওয়া চোটটা গুরুতরই মনে হয়েছে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আরেকজনের সহায়তায় মাঠ ছেড়েছেন। বিশেষজ্ঞ বোলার হিসেবে এই ম্যাচ দিয়ে টানা ১০০ টেস্ট খেলার কীর্তি গড়া লায়ন বাকি দিনে খেলতে পারবেন কিনা, সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন পর লায়নের সতীর্থ অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভেন স্মিথের কথাতেও মনে হলো অবস্থা খুব একটা সুবিধার নয়, ‘এখনও সেভাবে দেখা হয়নি। তবে অবস্থা খুব ভালো মনে হয়নি। বাকি ম্যাচের জন্য ওর অবস্থা আদর্শ মনে হলো না। আর আমি নিশ্চিত নই ও কেমন বোধ করছে। তবে সে যদি সুস্থ না হয়, তাহলে এটা আমাদের জন্য বড় ক্ষতি।’

প্রথম টেস্টে ৮ উইকেট নেওয়া লায়ন না খেলতে পারলে নিশ্চিত ভাবেই তা অজিদের জন্য বড় ক্ষতি। চোটের আগে এই টেস্টে ১৩ ওভার বল করতে পেরেছেন। নিয়েছেন একটি উইকেট। তার অনুপস্থিতি মানে পেসারদের ওপর বাড়তি চাপ! পেসাররা যেভাবে শর্ট বল নিয়ে আক্রমণ হানছেন। সেটি অব্যাহত রাখতে একপ্রান্তে লায়নের থাকা জরুরি। তখন রোটেট করে খেলানোর সুযোগ থাকে। না হলে পেসারদের ওপর তা বাড়তি কাজের চাপ তৈরি করবে।

দ্বিতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিন শেষে ইংল্যান্ড ৪ উইকেটে ২৭৮ রান করেছে। ওপেনার জ্যাক ক্রলিকে (৪৮) ফিরিয়ে শুরুর আঘাতটাই করেছেন লায়ন। দুই রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন বেন ডাকেট। প্রথম ইনিংসে ৪১৬ রানে অলআউট হওয়া অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে তারা এখনও ১৩৮ রানে পিছিয়ে।