অনেকটা নীরবেই শুরু হয়েছে এশিয়া কাপের আগে বাংলাদেশের ফিটনেস ক্যাম্প। প্রথম দিন অবশ্য খুব বেশি ক্রিকেটার দেখা যায়নি। তারকা বেশকয়েকজন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে ব্যস্ত। স্বাভাবিকভাবেই তাদের ছাড়া প্রথম দিনের ক্যাম্প বিবর্ণ লেগেছে। এমনটা চলবে আগামী ৭ আগস্ট পর্যন্ত। ততদিন পুরো দলকে পাওয়া যাচ্ছে না। এই সময়ে বাকিদের নিয়েই স্থানীয় কোচ, ট্রেনাররা কাজ করবেন। তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এশিয়া কাপে থাকবেন কিনা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার হিসেবে তারা ক্যাম্প করছেন।
তাদের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘তামিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আমাদের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়। তাই ক্রিকেট অপারেশন্সের দায়িত্ব হচ্ছে সবসময় তাদের সহযোগিতা করা। সেটা কোচের মাধ্যমে হোক, ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে কিংবা অনুশীলন; আমরা সেটা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
আগামী ৮ আগস্ট থেকে শুরু হবে স্কিল অনুশীলন। এর আগে আসছেন না কোচিং স্টাফদের কেউ। জাতীয় দলের ক্যাম্প নিয়ে তাই খুব একটা তোড়জোর নেই। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ সামনে রেখে বিসিবির চুক্তিবদ্ধ সব ক্রিকেটারকেই ক্যাম্পের শুরুতে ডাকা হয়েছে। সোমবার প্রথমদিনটি মেডিক্যাল পরীক্ষাতে সীমাবদ্ধ ছিল। এদিন উপস্থিত ছিলেন ২০ জন। নাফীস বলেছেন মোট তিনদিন চলবে এই মেডিক্যাল টেস্ট, ‘আমাদের চুক্তিবদ্ধ সব খেলোয়াড় এবং সম্প্রতি যারা জাতীয় দলের হয়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলেছে; তাদের সবাইকে আসতে বলা হয়েছে। আজ মেডিক্যাল পরীক্ষা হবে- রক্ত, চোখ পরীক্ষা ও ইসিজি। কাল ও পরশু গ্রুপ করে করে হাড় ও পেশির কী অবস্থা এই পরীক্ষাগুলো করা হবে।’
আগস্টের শেষদিকে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে বসবে এশিয়া কাপ। এরপর ভারতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ অক্টোবরে। এই দুই টুর্নামেন্টের আগে বিসিবি কি ক্রিকেটারদের নিয়ে বাড়তি সতর্ক? নাফীস অবশ্য জানিয়েছেন, এগুলো রুটিনওয়ার্ক, ‘বাড়তি সতর্কতা না। এটা রেগুলার প্রসিডিউর। এবার দৃশ্যমান হচ্ছে কারণ, এগুলো সব একসঙ্গে করা হচ্ছে। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও এগুলো নিয়মিত হয়। মেডিকেল বিভাগের সঙ্গে কথা হচ্ছিল, বছরে একবার হলে ভালো, দু’বছরে হলেও সমস্যা নেই।’