ফিরলেন আর জয় করলেন- যশপ্রীত বুমরার প্রত্যাবর্তন হলো দুর্দান্ত। স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের কারণে প্রায় ১১ মাস পর মাঠে নামলেন ভারতের পেসার। ম্যালাহাইডে রাখলেন উজ্জ্বল স্বাক্ষর। আগের মতোই ক্ষুরধার বোলিং। আর নেতৃত্বেও ছিলেন সাবলীল। তার প্রত্যাবর্তন আর অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারালো ভারত।
আয়ারল্যান্ড ও ভারতের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বৃষ্টির দাপট থাকার পূর্বাভাস ছিল আগে থেকেই। তাই ডাবলিনে টস জিতে ফিল্ডিং নিতে দ্বিতীয়বার ভাবেনি সফরকারীরা। ১৪০ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরু থেকে বোলারদের ওপর চড়াও হয় তারা।
সপ্তম ওভারের এক বল বাকি থাকতে নামে বৃষ্টি। আর খেলা হয়নি। ভারতের স্কোর ২ উইকেটে ৪৭ রান। বৃষ্টি আইনে জিততে তাদের স্কোরবোর্ডে ৪৫ রান থাকলেই চলতো। মানে ২ রানে জিতে যায় ভারত।
পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৪৫ রান তোলে ভারত। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ভারী হওয়ার আগে ক্রেইগ ইয়াং পরপর যশস্বী জয়সওয়াল (২৪) ও তিলক ভার্মাকে (০) ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। যদিও সাঞ্জু স্যামসন তাকে হতাশ করেন। ইয়াংয়ের জোড়া আঘাতের পর আর দুই বল খেলা হয়। রুতুরাজ গায়কোয়াড় ১৯ ও স্যামসন ১ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৬.৫ ওভারে ২ উইকেটে ৪৭ রান করে ভারত।
এর আগে ফিল্ডিং নিয়ে বুমরা দ্বিতীয় বলেই সাফল্য পান। অ্যান্ডি বালবির্নিকে (৪) বোল্ড করেন। প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে লরকান টাকারকে (০) পেছনে স্যামসনের ক্যাচ বানান তিনি।
এই ধাক্কা বেশ জোরেশোরে লাগে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনে। অভিষিক্ত প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও রবি বিষ্ণয় দুটি করে উইকেট নিলে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৫৯ রান।
আয়ারল্যান্ডের মান বাঁচান কার্টিস ক্যাম্ফার ও ব্যারি ম্যাকক্যার্থি। দুজনের ৫৭ রানের জুটিতে একশ পার করে স্বাগতিকরা। ক্যাম্ফার ৩৩ বলে ৩৯ রান করেন। ম্যাকক্যার্থি শেষ বলে ছক্কা মেরে হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৩৩ বলে চারটি করে ৪ ও ৬-এ ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
আয়ারল্যান্ডকে ৭ উইকেটে ১৩৯ রানে থামাতে বুমরা, প্রসিদ্ধ ও বিষ্ণয় দুটি করে উইকেট নেন।
তিন ম্যাচের সিরিজে ভারত পরের টি-টোয়েন্টি খেলবে রবিবার। ১-০ তে এগিয়ে তারা।