২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ের মাহাত্ম্য বুঝতে পারেননি কোহলি

ভারতের ব্যাটিং গ্রেট শচীন টেন্ডুলকার তার আরাধ্য ওয়ানডে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছেন ক্যারিয়ারের শেষলগ্নে। অথচ বিরাট কোহলি সেটার স্বাদ পেয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপেই। কদিন আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ১৫ বছর পূর্ণ করেছেন। এই সময়ে নিঃসন্দেহে তার সেরা অর্জন ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ট্রফিটি। তার সামনে আরেকবার ঘরের মাঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ। প্রথমবার ট্রফি জিতলেও পরের কয়েকবারের ব্যর্থতার কারণে এর গুরুত্ব এখন অনুধাবন করতে পারেন কোহলি। 

ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে জেতা বিশ্বকাপ ট্রফির মাহাত্ম্য ওই সময় বুঝতে পারেননি কোহলি, ‘তখন আমার ২৩ বছর বয়স। বিশ্বকাপের মাহাত্ম্য সম্ভবত বুঝতে পারিনি। এখন আমি ৩৪, মাঝে অনেকগুলো বিশ্বকাপে খেলে ফেললেও জিততে পারিনি। তাই সেই দলের বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি কেমন ছিল সেটা জানি। সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে শচীন টেন্ডুলকরের জন্য। কারণ তার শেষ বিশ্বকাপ ছিল। তার আগে অনেক বিশ্বকাপে খেলেও ট্রফি হাতে তুলতে পারেনি। কিন্তু মুম্বাইয়ে তার নিজের শহরে বিশ্বকাপ জেতা, ব্যাপারটাই অন্য রকম। স্বপ্নের মতো।’

এক যুগ আগের বিশ্বকাপের সময়েও কোহলিকে প্রত্যাশার চাপ সামলাতে হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে ভারতের সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমরা এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়ার সময়েই ব্যাপারটা বুঝতে পারছিলাম। তখন সমাজমাধ্যমের এত বাড়াবাড়ি ছিল না। তা হলে দুঃস্বপ্ন হয়ে যেতো। একটাই স্বপ্নে বিশ্বাস করতাম, বিশ্বকাপ জিততে হবে। চাপ সামলানোর দায়িত্ব দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটারেরা নিয়েছিল।’