বুধবার ভারতের বিপক্ষে অন্য এক মুস্তাফিজকে দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। গত এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া মুস্তাফিজকে ওইদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি। এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ভারতের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে দলের দ্বিতীয় খরুচে বোলার হলেছিলেন তিনি। নিতে পারেননি একটি উইকেটও।
ভারতের বিপক্ষে সমর্থকদের বিস্ময় উপহার দেওয়া মুস্তাফিজকে নিয়ে চিন্তিত ছিলো ক্রিকেটপ্রেমীরা। চাপে কি তাহলে ভেঙ্গে পড়বেন মুস্তাফিজ? এর উত্তর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘মুস্তাফিজ শতভাগ ঠিক আছে। পরের ম্যাচেই সে কামব্যাক করবে।’
অধিনায়ক মাশরাফির কথাই সত্যি হয়েছে। স্বমহিমায় ফিরে এসেছেন মুস্তাফিজ। কেননা গত দশ মাসে মুস্তাফিজ মানে ভয়ঙ্কর কোনও কিছু। সেই অর্থে শুক্রবার আরব আমিরাতের জন্য ভয়ঙ্কর কিছুই ঘটেছে। শুক্রবার ৪ ওভার বোলিং করে ১৩ রান খরচায় নিয়েছেন ২টি উইকেট। মুস্তাফিজের বলের আগুন ভালোই টের পেয়েছেন আমিরাতের ব্যাটসম্যানরা।
প্রথম ওভারে ৯ রান খরচ করে উইকেট শূন্য ছিলেন মুস্তাফিজ। নিজের দ্বিতীয় স্পেলে জ্বলে উঠেন তরুণ এই বাঁহাতি পেসার। মোহাম্মদ শাহজাদকে (১২) রিটার্ন ক্যাচের ফাঁদে ফেলে সাজঘরের পথ দেখান মুস্তাফিজ। পরের বলে আবার উইকেট; মাশরাফির তালুবন্দী হয়ে ফিরে যান স্বপ্নিল পাতিল (০)। হ্যাটট্রিকের সম্ভবনা জাগিয়েও একটুর জন্য হ্যাটট্রিক করতে পারেননি তিনি। এই ওভারে ২ রান খরচ করে নিলেন দুটি উইকেট।
নিজের তৃতীয় স্পেলের তৃতীয় ওভারে কয়েকটি সুযোগ সৃষ্টি করলেও উইকেট পাননি; রান দিয়েছেন দুটি। চতুর্থ ও শেষ ওভারে আরব আমিরাতের ব্যাটসম্যানরা মাত্র একটি বল ব্যাটে লাগাতে পেরেছেন। বাকি ৫টি বলই উইকেট কিপার নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসবন্দী হয়েছে।
/আরআই/এমআর/
ছবি: সাজ্জাদ হোসেন