২৪.১ ওভারের খেলা হয়েছিল গত দিন। ২ উইকেট হারানো ভারত স্কোরবোর্ডে জমা করেছিল ১৪৭ রান। রিজার্ভ ডেতে ম্যাচ গড়ালে ভারত সেই দুই উইকেট হারিয়েই রানের পাহাড় গড়েছে। এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ উইকেটে তুলেছে ৩৫৬ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে যা যৌথ সর্বোচ্চ। ২০০৫ সালেও ভারত ৯ উইকেটে ৩৫৬ রান তুলেছিল। ধোনি সর্বোচ্চ ১৪৮ রান তুলেছিলেন।
এই ম্যাচে ৪৭তম সেঞ্চুরিতে মাইফলক ছুঁয়েছেন কোহলি। ১৩ হাজার রান পূরণ করেছেন। এই মাইলফলকে তিনি সবার চেয়ে দ্রুততম। ভেঙেছেন শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড। ১৩ হাজার রান পূরণ করতে শচীনের লেগেছিল ৩২১ ইনিংস। কোহলির লেগেছে ২৬৭। ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় কোহলির অবস্থান পঞ্চম।
দীর্ঘদিন পর ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তন করা লোকেশ রাহুলও বার্তা দিলেন বিশ্বকাপের আগে। তিনি যে প্রস্তুত সেটার জানান দিলেন এই ম্যাচে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে। ১০৬ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১১১ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছেন। সঙ্গী কোহলি ছিলেন আরও বেশি বিধ্বংসী। ৯৪ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ১২২ রানে। তিনি ৮৪ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেছেন।
আজ বৃষ্টিতে বিলম্বে শুরু হয় এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচ। প্রথমে বৃষ্টির আধিপত্য থাকলেও ধীরে ধীরে রাজত্ব করেছেন লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি। আজ বাকি ২৫.৫ ওভারের খেলা হয়েছে। তাতে দুই ব্যাটার রান তুলেছেন ২০৯! তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২৩৩ রান যোগ করেছেন তারা। যা পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের রেকর্ড জুটি। আগের সর্বোচ্চটি ছিল ২৩১। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় উইকেটে এটি করেছিলেন নভজোৎ সিং সিধু ও শচীন টেন্ডুলকার।
পাকিস্তানের এক পেসার কমে যাওয়া যে প্রভাব ফেলেছে সেটি স্পষ্ট। হারিস রউফ ইনজুরির কারণে এদিন বলই করতে পারেননি। তাতে তিন পেস বোলিং অপশনে তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।
সবচেয়ে ব্যয় বহুল ছিলেন শাহীন আফ্রিদি। ৭৯ রান দিয়ে একটি উইকেট পেয়েছেন। সমসংখ্যক উইকেট নেওয়া শাদাব দিয়েছেন ৭১ রান।