আগামী ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ। তার আগে সোমবার শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে তারা মাঠে নেমেছিল। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের বোলারদের সামনে অসহায় ব্যাটাররা। কেবল তানজিদ হাসান তামিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের ঝলমলে ব্যাটিংয়ে স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু তাতে বৃষ্টি বাধ সাধে। ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ৩৭ ওভারে। ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৮৮ রান করে বাংলাদেশ। তবে সংশোধিক ডিএলএস অনুযায়ী ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ১৯৭ রানের।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রানে লিটন দাস (৫) ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (২) ফিরে যান। এরপর ৫২ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন তানজিদ ও মিরাজ। আগের ইনিংসের সেরা ব্যাটার তানজিদ ৪৫ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। এরপর মুশফিকুর রহিম (৮) ও মাহমুদউল্লাহর (১৮) ব্যর্থতার মাঝে টানা ফিফটিতে আশার আলো জ্বালিয়ে রাখেন মিরাজ। ম্যাচ বন্ধ হওয়ার আগে ৬০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে ৫ রানে খেলছিলেন তাওহীদ হৃদয়। ৩০ ওভারে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৫৩ রান করার পর নামে বৃষ্টি। তারপর থেকে বৃষ্টির আনাগোনায় অপেক্ষা বেড়েই গেছে। ম্যাচ আদৌ শেষ করা যাবে কি না সেই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
বাংলাদেশ সময় ৭টার দিকে প্রথম কার্টেল ওভারের ঘোষণা আসে। ৪০ ওভার করে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপর আবার বৃষ্টির বাধার পর ৮টার দিকে আরও তিন ওভার করে কমানো হয়।
বৃষ্টি বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে স্যাম কারানের শিকার হন হৃদয় (৫)। ৩৪তম ওভারে ডেভিড উইলি পরপর মিরাজ ও নাসুম আহমেদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন। তাসকিন আহমেদ তাকে হতাশ করেন। পরের বলে মারেন ছক্কা।
মিরাজ ৮৯ বলে ৭৪ রান করে বোল্ড হন, ইনিংসে ছিল ১০ চার। ৩৫তম ওভারে রিস টপলি বোল্ড করেন মেহেদী হাসানকে (৩)। দুই বল পর ইংলিশ ফিল্ডারের হাতে জীবন পান তাসকিন। শরিফুল ইসলামকে নিয়ে ১২ রানে অপরাজিত থেকে বাকি সময় পার করে দেন তিনি।