বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান মুখোমুখি হয়েছে পুনেতে। শিশিরের প্রভাব বিবেচনায় টসে জিতে আগে ফিল্ডিং নেয় আফগানরা। ফজলহক ফারুকীর পেসের সঙ্গে রশিদ খান ও মুজিব উর রহমানের স্পিনে তারা শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহ করতে দেয়নি।
অবশ্য শ্রীলঙ্কা শক্ত ভিত গড়েছিল। কিন্তু মিডল অর্ডারে ফাটল ধরলে সুবিধা করতে পারেনি। দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে ২৪১ রানে তাদের অলআউট করেছে আফগানরা।
ষষ্ঠ ওভারে দিমুথ করুণারত্নেকে (১৫) ফারুকী এলবিডব্লিউ করেন। পাথুম নিসাঙ্কাকে হাফ সেঞ্চুরি করতে দেননি আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৬০ বলে ৪৬ রান করে রহমানউল্লাহ গুরবাজকে ক্যাচ দেন লঙ্কান ওপেনার।
এরপর কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমার জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় লঙ্কানরা। ২৮তম ওভারে ব্রেকথ্রু আনেন মুজিব, ভেঙে দেন ৫০ রানের জুটি। পরপর দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে ফেরান।
মেন্ডিস ৩৯ রানে বদলি ফিল্ডার নাজিবউল্লাহকে ক্যাচ দেন। আফগান স্পিনারের কাছে ৩৬ রানে বোল্ড হন সাদিরা। ২ উইকেটে ১৩৪ রান করা শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা লাগে, ১৮৫ রান করতেই হারায় সাত উইকেট।
ডেথ ওভারে মাহিশ ঠিকশানা ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ প্রতিরোধ গড়েছিলেন। ফারুকী টানা দুই ওভারে দুজনকে ফেরান। ২৩ রান করেন ম্যাথুজ। ২৯ রানে বোল্ড হন ঠিকশানা। শেষ ওভারে কাসুন রাজিথা রান আউট হয়। চতুর্থ বলটি ওয়াইড ছিল, দিলশান মাদুশাঙ্কা রান নিতে গেলে নন স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়।
ফারুকী সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। ১০ ওভারে ৩৪ রান দেন আফগান পেসার। বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের কোনও বোলারের এটি দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার। দুটি উইকেট নেন মুজিব।