নেলসনে বাংলাদেশের সামনে সিরিজে ফেরার চ্যালেঞ্জ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কখনোই জেতা হয়নি বাংলাদেশের। নাজমুল হোসেন শান্তরা এবার অতীত বদলাতেই নিউজিল্যান্ডে গেছেন। কিন্তু স্বপ্ন দেখিয়ে সিরিজ শুরু করা বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছে চিরচেনা হার দিয়ে। বুধবার ভোর রাতে নেলসনে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টি। সিরিজ হার এড়াতে বাংলাদেশের সামনে তাতে জয়ের বিকল্প নেই। ভোর চারটায় ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে গ্রিন টিভিতে।

মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ দলকে হারতে হচ্ছে। আগের ম্যাচে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ছন্দ খুঁজে পায়নি। কিউই কন্ডিশনে শুরুর ব্যাটারদের আধিপত্য না থাকলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। সেটা ভালো করে টের পেয়েছে সফরকারীরা। 
ব্যাটারদের এই ব্যর্থতা কেবল এই সিরিজেই নয়। ভারতে বিশ্বকাপের আসরজুড়েই বাংলাদেশের ব্যাটারদের এমন বাজে পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এ নিয়ে পরে আফসোস ঝরেছে প্রথম ম্যাচে দলের সর্বোচ্চ ৪৩ রান করা ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের কণ্ঠে। সিরিজ হার এড়াতে হলে সবার দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করার বিকল্প নেই। আগের ম্যাচের ভুলগুলো পুনরাবৃত্তি হলে আরেকটি সিরিজ হার নিশ্চিত হয়ে যাবে। লাল-সবুজরা নিশ্চয়ই তেমনটা চাইবে না? কিন্তু ব্যর্থতার পরিসংখ্যানও আশা জাগাতে পারছে না। 
কিউই কন্ডিশনে বাংলাদেশের সাফল্য শূন্য। ২০১৬ সালে নেলসনের এই ভেন্যুতে খেলা দুটি ওয়ানডেতেই বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এখানে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা এই দলে শুধু মোস্তাফিজুর রহমানের আছে।  মোস্তাফিজ হয়তো সতীর্থদের সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামার আগে হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের কণ্ঠে ভর করেছে হতাশা, ভয়। ব্যাটারদের ফর্মহীনতায় তার কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটাররা বড় ইনিংস খেলতে পারছে না, এটা অনেক বড় দুশ্চিন্তার কারণ। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে হবে, সেটা করতে পারলে আমরা আরও ভালো খেলতে পারবো। এই কন্ডিশনে ফিল্ড প্লেসিং, লাইন-লেন্থ; এসব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে একই বার্তা থাকবে। আমাদের কয়েকজনকে ভালো শুরু এনে দিতে হবে, বড় স্কোর গড়তে হবে।’