দ্বিতীয় ওয়ানডেতে লড়াই জমিয়ে দিতে পেরেছিল জিম্বাবুয়ে। তার পরেও হার ছিল সঙ্গী। তৃতীয় ম্যাচে অবশ্য পুরোপুরি পরাস্ত হয়েছে সফরকারীরা। তাও আবার এমন একজনের স্পিনে যিনি ক্রিকেটেই ছিলেন না ৬ মাস! লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা একাই ১৯ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট! তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মাত্র ২২.৫ ওভারে ৯৬ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সেই রান ২ উইকেট হারিয়ে ১৬.৪ ওভারে তাড়া করেছে স্বাগতিক দল। ৮ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজও শ্রীলঙ্কা নিশ্চিত করেছে ২-০ ব্যবধানে।
কলম্বোয় টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। শুরুতে ৮ ওভারে ৪১ রানও তুলে ফেলেছিল তারা। জিম্বাবুয়ের ছন্দে পতন ঘটায় তার পর বৃষ্টি। বৃষ্টির বিরতির পর পুনরায় খেলা শুরু হলে ৪৮ রানের মধ্যেই হারায় ৪ উইকেট! টপের চারটি উইকেটই পতন হয় হাসারাঙ্গার ঘূর্ণিতে। দুইবারের বৃষ্টির বাধায় পরে ম্যাচের পরিধিও নেমে নেমে আসে ২৭ ওভারে। শেষ পর্যন্ত হাসারাঙ্গার আঘাতে ২২.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান তুলতে পারে স্বাগতিক দল।
১৯ রানে ৭ উইকেট নেওয়া হাসারাঙ্গার এই বোলিং ওয়ানডেতে পঞ্চম সেরা। ফলে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। মূলত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার গুগলির সামনেই পরাস্ত হয়েছে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং। তাছাড়া একটি করে উইকেট নেন দিলশান মাদুশাঙ্কা, মাহিশ থিকশানা ও জেনিথ লিয়ানাগে। ১ উইকেট আর ১১৯ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হযেছেন লিয়ানাগে।
৯৭ রানের মামুলি লক্ষ্য দিয়ে লঙ্কানদের কোনও পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওভারে আভিষ্কা ফার্নান্ডোর উইকেট পড়লেও ম্যাচটা শুরুতেই নিজেদের করে নিতে অবদান রাখেন কুশল মেন্ডিস। ৫১ বলে ৬৬* রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়েন তিনি। এই সময় তাকে সঙ্গ দেওয়া অভিষিক্ত ওপেনার শেভন ড্যানিয়েল ১২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে আউট হয়েছেন। সাদিরা সামারাবিক্রমা অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।