টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শেষ সিরিজ খেলতে নেমে ভারত আফগানিস্তানকে দ্বিতীয় ম্যাচেও পাত্তা দিলো না। রবিবার ৬ উইকেটে জিতে তারা সিরিজ নিশ্চিত করেছে বটে। দল জয়ের হাসি হাসলেও রোহিত শর্মার বুকে যেন চাপা হতাশা। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার দলে ফিরে দুই ম্যাচেই ডাক মেরেছেন এই ওপেনার।
রোহিতের ঠিক উল্টো অবস্থানে শিবম দুবে। বিশ্বকাপের আগে যেন তার দারুণ সময় কাটছে। টানা দুটি ম্যাচে ষাটোর্ধ্ব ইনিংস খেলে সম্ভবত ওয়েস্ট ইন্ডিজের টিকিট কেটে ফেলেছেন। সিরিজে প্রথমবার খেলতে নেমে তার সঙ্গে যশস্বী জয়সওয়ালও ঝলক দেখান। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি করেছেন ইনিংস সেরা পারফরম্যান্স। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার এই ফরম্যাটে খেলতে নেমে ইনিংস বড় করতে না পারলেও বিরাট কোহলি খারাপ করেননি। ছোট ক্যামিও ইনিংস এসেছে তার ব্যাট থেকে।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগানিস্তান গুলবাদিন নাইবের ব্যাটে চড়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে। ৩৫ বলে ৫ চার ও ৪ ছয়ে ৫৭ রান করেন তিনি। পরে করিম জানাত ও মুজিব উর রহমানের ক্যামিও ইনিংসে আফগানদের স্কোরবোর্ডে জমা হয় ১৭২ রান। শেষ বলে অলআউট হয় তারা। করিম ১০ বলে ২০ রান করেন এবং মুজিব ২১ রান করেন ৯ বল খেলে।
বল হাতে ভারতের পেসার আর্শদীপ সিং ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৩ উইকেট নেন তিনি ৩২ রান খরচায়। দুটি করে উইকেট পান রবি বিষ্ণয় ও অক্ষর প্যাটেল।
লক্ষ্যে নেমে ইনিংসের পঞ্চম ও নিজের প্রথম বলে রোহিত বোল্ড হন। তৃতীয় ওভারে নিজের দ্বিতীয় উইকেট পেতে পারতেন ফজল হক ফারুকি। কিন্তু জয়সওয়ালের ফিরতি ক্যাচ নিতে পারেননি।
জীবন পেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন ভারতীয় ওপেনার। তার সঙ্গে ঝড় তোলেন কোহলি। ৫৭ রানের এই জুটি ভেঙে যায় পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। কোহলি ১৬ বলে ৫ চারে ২৯ রান করে আউট হন। এরপর জয়সওয়াল ও দুবের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে জয় সহজ হয়ে যায়। দুজনের জুটি ছিল ৯২ রানের।
জয়সওয়াল ৩৪ বলে ৫ চার ও ৬ ছয়ে ৬৮ রান করে থামেন। তারপর দুবে ৩২ বলে ৬৩ রানে অপরাজিত থেকে ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। জিতেশ শর্মা (০) তার সঙ্গে জুটি ২ রানের বেশি করতে পারেননি। জয়সওয়ালের সঙ্গে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলেন রিংকু সিং, ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
১৫.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৩ রান করে স্বাগতিকরা। ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা অক্ষর।